গতকাল দীপ্ত টিভির নিজস্ব ভবনে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত ডকু-ড্রামা ‘দুইটি যুদ্ধের একটি গল্প’-এর প্রেস শো অনুষ্ঠিত হয়। ডকু-ড্রামাটির লাইন প্রডিউসার ফাহদ হোসেনের উপস্থাপনায় এ প্রেস শোতে ডকু-ড্রামার পরিচালক দীপ্ত টিভির সিইও ফুয়াদ চৌধুরী ও শহীদ সার্জেন্ট মহি আলম চৌধুরীর ভাতিজি মারজান বেগম উপস্থিত ছিলেন।
দীপ্ত টিভিতে ২৬ মার্চ রাত ১১টায় প্রচারিত হবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ডকু-ড্রামা ‘দুইটি যুদ্ধের একটি গল্প‘। ফুয়াদ চৌধুরীর পরিকল্পনা ও পরিচালনায় সত্য ঘটনা অবলম্বনে ডকু-ড্রামাটিতে শহীদ সার্জেন্ট মহি আলম চৌধুরীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াদ রায়হান, মারজান চৌধুরীর চরিত্রে অহনা মিথুন। কাজ করেছেন চট্টগ্রামের নান্দিমুখ থিয়েটারের একদল নাট্যকর্মী। ডকু-ড্রামাটি রচনা করেছেন ফাহমিদুর রহমান। গবেষণা করেছেন ফাহদ হোসেন।
সার্জেন্ট মহি আলম একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ১৯৭১ সালের ১৭ নভেম্বর বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর বোর্ড অফিস রাজাকার ক্যাম্পে অপারেশনের সময় শহীদ হন। একটা সময় পর্যন্ত অনেকের কাছে অজানা ছিল শহীদ মহি আলম চৌধুরীর বীরত্বগাথা। এমনকি অজানা ছিল কবরের স্থানটিও। ভুলতে বসা জাতির এ সূর্যসন্তানের শহীদ হওয়ার তথ্য ও কবরের সন্ধান একক প্রচেষ্টায় খুঁজে বের করেন তার ভাতিজি মারজান বেগম। পারিবারিক একটি ছবির সূত্র ধরে মারজান বেগম নতুন এক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন এবং একক প্রচেষ্টায় মহি আলম চৌধুরীর মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়ার স্বীকৃতি আদায় করেন।
ফুয়াদ চৌধুরীর পরিকল্পনা ও পরিচালনায় দীপ্ত টিভির উদ্যোগে ডকু-ড্রামা ‘দুইটি যুদ্ধের একটি গল্প’ নির্মাণ করা হয়েছে। সাক্ষাত্কার ও ঘটনার নাটকীয় দৃশ্যায়নের মাধ্যমে প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মিত হয়েছে। শহীদ মহি আলম চৌধুরীর মহান আত্মত্যাগকে মূল উপজীব্য রেখে এবং তার শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি আদায় করতে গিয়ে মারজান বেগমকে যে আরেক যুদ্ধ করতে হয়েছে তা নিয়েই এগিয়েছে এ ডকু-ড্রামা।










