অ্যান্থনি ও জো রুশোর উচ্চাভিলাষী প্রজেক্ট সিটাডেল। রিচার্ড ম্যাডেন ও প্রিয়াংকা চোপড়াকে নিয়ে সিরিজটি নির্মাণ করেছেন তারা। বছরখানেকের বেশি হবে সিটাডেল নিয়ে ক্রমাগত প্রচারণা চালিয়েছে রুশো ব্রাদার্স। এমনও বলা হয়েছে, সিরিজের ইতিহাসে নতুন ধারা তৈরি করতে যাচ্ছে সিটাডেল। কিন্তু বাস্তবতা খানিকটা ভিন্ন। সিটাডেলের প্রথম প্রতিক্রিয়া হিসেবে দর্শক সমালোচক কিছুটা হতাশাই প্রকাশ করছেন। সিটাডেলের দুটো এপিসোড মুক্তি পেয়েছে এবং প্রতিক্রিয়ায় সিরিজভক্ত ও সমালোচকরা এককথায় বলছেন, ‘সাধারণ’। যে আশা সিটাডেল মুক্তির আগে তৈরি হয়েছিল, তার ছাপ পাওয়া যাচ্ছে না।
ইয়নে প্রকাশিত এক ফিচারে বলা হচ্ছে, সিরিজটি রুশো ব্রাদার্সের একটি বড় কাজ হলেও তাতে আমার প্রতিফলন হয়নি। অ্যাভেঞ্জার্সের রুশো ব্রাদার্স নির্মাণে যে কুশলতা দেখিয়েছিলেন, তা এ সিরিজে নেই। সমালোচনা করার জন্য এটি প্রাথমিক সময় হলেও ‘মর্নিং শোজ দ্য ডে’ অনুসরণ করে তারা ধারণা করছেন, সিরিজটি মধ্যম মানের। প্রচুর অর্থ খরচ হলেও সেটি নির্মাণকে উন্নত করেনি। বলে রাখা ভালো, সিটাডেলের বাজেট ৩০ কোটি ডলার।
এটি শুরু হয় ইতালি থেকে। একটি ট্রেন সিন থেকে এর শুরু। ফার্স্ট পোস্টে লাছমি দেব রায় লিখেছেন, ‘সিরিজটি অ্যাড্রেনালিন রাশ তৈরি করবে। স্পাই থ্রিলার আপনাকে ধরে রাখবে অনেকটা সময়।’ কিন্তু সেখানে গল্প খুব বেশি জমে ওঠে না। সিকুয়েন্সগুলো একটি গ্লোবাল স্পাই থ্রিলার হিসেবে যথেষ্ট আশা জাগায় না। ইয়নে মোহন রাওয়াত লিখেছেন, ‘অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পারফরম্যান্স খুবই ভালো। কিন্তু উপস্থাপনার খামতির কারণে সেটা উপভোগ্য হয়ে ওঠে না।’
সিটাডেলের প্রথম এপিসোডের পর সবারই একমত। সিরিজে প্রিয়াংকা চোপড়া ভালো অভিনয় করেছেন, কিন্তু রুশো ব্রাদার্সের কাছ থেকে তাদের যা আশা ছিল, তার প্রতিফলন এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। সিরিজটি যদি শেষ পর্যন্ত দর্শককে তুষ্ট করতে না পারে, তাহলে বড় লোকসানে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাদের। প্রথমত এ সিরিজে তারা যা বিনিয়োগ করেছেন তা ক্ষতির মুখে তো পড়বেই, সেই সঙ্গে মার খাবে তাদের পরবর্তী পরিকল্পনা। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে সিরিজটির ভারতীয় সংস্করণের কাজ। অভিনয় করছেন বরুণ ধাওয়ান ও সামান্থা রুথ প্রভু। সিটাডেল ব্যর্থ হলে বৈশ্বিকভাবে বড় লোকসান এড়াতে পারবে না রুশো ব্রাদার্স।
সূত্র: ইয়ন










