দানবীয় বাজেট ঢেলে খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন ভূষণ কুমার, কৃষাণ কুমার ও ওম রাউতসহ অন্যরা। তারা সবাই প্রভাস অভিনীত ‘আদিপুরুষ’ সিনেমার প্রযোজক। সঙ্গে পরিচালনায়ও ছিলেন ওম রাউত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, ‘আদিপুরুষ’-এর বড়সড় বক্স অফিস বিপর্যয়ের মুখে এর নির্মাতাদের ঘুরে দাঁড়ানো খুব কঠিন হবে।

ব্যয়বহুল চলচ্চিত্রটির আনুমানিক বাজেট ৪৫০-৫০০ কোটি রুপি। সব মিলিয়ে কতটা গচ্চা গেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ক্ষতির গণ্ডি ২০০-২৫০ কোটি রুপির মতো হতে পারে।

‘আদিপুরুষ’-এর হিন্দি সংস্করণ প্রথম সপ্তাহান্তে আনুমানিক ১১০ কোটি রুপি আয় করে। কিন্তু সোমবার রাতারাতি আয় কমে যায় ৭০ শতাংশ। পরবর্তী দিনগুলোতে আয়ের পতন ছিল গড়ে ২০ শতাংশ।

সিনেমাটির নির্মাণে কোনো বিভাগই দর্শক বা সমালোচকের কাছ থেকে প্রশংসা পায়নি। তার ওপর জুটেছে ধর্মীয় কাহিনি বিকৃতির অভিযোগ। প্রথম কয়েক দিন তুমুল প্রচার, তারকা খ্যাতি ও ধর্মীয় কারণে দর্শকের ঢল নামে। কিন্তু অচিরেই এত নিন্দা পায়, যা সাম্প্রতিক কোনো ভারতীয় সিনেমার ক্ষেত্রে হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ‘আদিপুরুষ’ এখন প্রযোজক ও ভারতীয় বিনোদন শিল্পের জন্য পঙ্গুত্ব। ধারণা করা হয়েছিল, শাহরুখ খানের ‘পাঠান’-এর পর বৃহত্তম মানি মেশিন হতে যাচ্ছে সিনেমাটি। কিন্তু বক্স অফিস ব্যর্থতা প্রযোজকদের হতাশ করে দিয়েছে।

‘আদিপুরুষ’ টিমের এক সদস্য জানান, সবাই নিশ্চিত ছিল যে একটি মাস্টারপিস হতে যাচ্ছে। যেহেতু হয়নি, শিগগিরই দোষারোপের খেলা শুরু হবে। নিশ্চিতভাবে এর শিকার হবেন পরিচালক ওম রাউত। যদিও সিনেমা নির্মাণের সময় রাশ প্রিন্ট দেখে সবাই তার প্রশংসা করছিলেন। বলছিলেন, সঞ্জয় লীলা বানসালি ও রাজামৌলির পর সবাই ইন্ডাস্ট্রি আরেকজন মেধাবী পরিচালক পেয়েছে।

সূত্রটি আরো বলছে, সিনেমা তৈরির সময় সবাই দেখেছে। এখন যদি বলে ‘ওম রাউত এটা কী তৈরি করেছে’, তার ওপর এমন দোষ দেয়া ঠিক হবে না।