‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগ্যান্স বাংলাদেশ ২০২৫’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আলফী আলমগীর আকসা। আগামী নভেম্বরে ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘উইম্যান অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে অংশ নেবেন আকসা।

আকসা ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতেন মিডিয়ায় কাজ করার। সে লক্ষ্যে তিনি বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে নাচের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবেও কাজ করেছেন। ‘মিস অ্যান্ড–মিসেস এলিগ্যান্স বাংলাদেশ ২০২৫’-এর ঘোষণার পর প্রবল উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে তিনি প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। সারা বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৫০ জনের মধ্যে শীর্ষ ১৫ তে জায়গা করে নেন আকসা।

সর্বশেষ ১৩ সেপ্টেম্বর গ্র্যান্ড ফিনালে চ্যাম্পিয়ন হন আকসা। বিচারকমণ্ডলীতে ছিলেন অপু বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ, সৌমেন সাহা ও সাকিব সনেট।

আকসা জানান, আগামী নভেম্বরে তিনি ফিলিপাইন যাচ্ছেন মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগ্যান্সের গ্র্যান্ড ফিনালে অংশ নিতে। তিনি বলেন, ‘‌‌বাংলাদেশের অভিনয়ের দুনিয়ায় আমি নিজেকে অনেক দূর নিয়ে যেতে চাই। যেমন আমার খুব ভালো লাগার মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন আপুকে আমি অনুসরণ করি। তার ব্যক্তিত্ব, নিঃশব্দে নিভৃতে কাজ করার ধরন আমাকে ভীষণ মুগ্ধ করে। আমি ঠিক তার মতো একজন হতে চাই। যেহেতু আমি আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছি, তাই ইচ্ছে আছে সমাজের বিধবা নারী ও অনাথ বাচ্চাদের জন্য কিছু করার। যেন তারা তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত না হয়। ধন্যবাদ জানাই বিশেষত মিস অ্যান্ড–মিসেস এলিগ্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মলি আপুকে। প্রতিযোগিতায় যারা অংশগ্রহণ করেছেন, তাদের মধ্যে সবার ছোট ছিলাম আমি। মলি আপু আমাকে খুব যত্ন ও খেয়াল করেছেন। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই সাকিব সনেট ভাইয়া, অপু বিশ্বাস দিদিসহ এর নেপথ্যের আরো সবাইকে। সবার কাছে দোয়া চাই যেন বাংলাদেশের হয়ে ম্যানিলায় উইম্যান অব দ্য ওয়ার্ল্ডে স্থান করে নিতে পারি।’

আকসা নবম শ্রেণীতে পড়ার সময় কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশনায় গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছিলেন। এরপর বাংলালিংকসহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পণ্যের মডেল হয়েছেন। এরই মধ্যে আরশ খানের বিপরীতে এলআর সোহেলের নির্দেশনায় একটি নাটকে অভিনয় করেছেন, যা শিগগিরই প্রচারে আসবে।