বাবার অভিভাবকত্ব-সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশনা থেকে মার্কিন পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স মুক্ত হয়েছেন। অর্থাৎ এখন তার অর্থ ও সম্পদের ক্ষেত্রে বাবার অভিভাবকত্বে জীবনযাপন করতে হবে না। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের আদালতের বিচারক ব্রেন্ড পেনি এ আদেশ দেন। 

২০০৮ সাল থেকে আদালতের অভিভাবকত্ব-সংক্রান্ত আদেশে ব্রিটনির আর্থিক জীবন নিয়ন্ত্রণ করছেন তার বাবা জেমি স্পিয়ার্স। বাবার বিরুদ্ধে বহুদিন থেকেই নানা অভিযোগ করে আসছিলেন ব্রিটনি। এ নিয়ে তিনি আদালতেও গিয়েছেন। তবে বাবা জেমি স্পিয়ার্স তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। 

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ তারকার আর্থিক জীবন নিয়ন্ত্রণ করা থেকে জেমি স্পিয়ার্সকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। একই সঙ্গে বাবার বাসা ছেড়ে অন্য স্থানে যেতে বলা হয় ব্রিটনিকে এবং স্পিয়ার্সের লিগ্যাল টিমকে তার জন্য একজন নতুন অভিভাবক ঠিক করতেও বলা হয়েছে।

আপাতত জন জাবেল নামের যে হিসাবরক্ষক আছেন, তিনি ব্রিটনির এস্টেটের দেখভাল করবেন।

এছাড়া এ পপ গায়িকার ব্যক্তি ও আর্থিক জীবনে অভিভাবকত্বের বাধ্যবাধকতা পুরোপুরি তুলে নেয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে আগামী ৩০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে নতুন করে শুনানি করতে বলা হয় তার আইনজীবীদের। 

এদিকে এ শুনানি চলাকালে আদালতের বাইরে অপেক্ষা করেছেন ব্রিটনির ভক্তরা। তখন তারা ব্রিটনির ক্ল্যাসিক গান ‘হিট মি বেবি ওয়ান মোর টাইম’ গাইতে থাকেন। এছাড়া বিশ্বব্যাপী ব্রিটনির ভক্তরা তার জন্য ‘ফ্রি ব্রিটনি’ শিরোনামে ক্যাম্পেইন করেছেন। 

গত ১২ সেপ্টেম্বর প্রেমিক স্যাম আসগরির সঙ্গে বাগদানের কথা জানান ৩৯ বছর বয়সী এ শিল্পী। এরপর এনগেজমেন্ট রিং এবং স্যামের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন তিনি। এটা ব্রিটনির তৃতীয় বিয়ে। ২০১৬ সালে ২৭ বছর বয়সী স্যামের সঙ্গে একটি মিউজিক ভিডিওর সেটে পরিচয় হয় ব্রিটনির। সেখান থেকেই বন্ধুত্ব ও প্রেম। স্যামের জন্ম ইরানে হলেও ১২ বছর বয়সে পাড়ি দেন যুক্তরাষ্ট্রে। চার বছর প্রেমের পরে বাগদান হলো তাদের।

 

সূত্র: বিবিসি