ঈদে প্রতিটি টেলিভিশন চ্যানেলে এসেছে নতুন নাটক। এসেছে ইউটিউবেও। এর মধ্যে দেখা গেছে পারিবারিক গল্পের নাটকই দর্শক পছন্দ করছেন বেশি। কোনো নাটকের গল্প, আবার কোনো নাটকের প্রতিটি চরিত্রই দর্শককে মুগ্ধ করেছে। এমনই একটি নাটক ‘একান্নবর্তী’। এটি পরিচালনা করেছেন মহিন খান। নাফ এন্টারটেইনমেন্টে প্রকাশিত নাটকটি মাত্র দুই দিনেই ২৮ লাখেরও বেশি ভিউ পেয়েছে।
নাটকটিতে বেশ কয়েকজন সিনিয়র শিল্পী অভিনয় করেছেন। দিলারা জামান মা ও দাদির চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেছেন। তার অভিনয়ে সবসময়ই দর্শক মুগ্ধ হন। পাশাপাশি নাটকে তারিক আনাম খান, মনিরা মিঠু ও চিত্রলেখা গুহর অভিনয়ও প্রশংসা পেয়েছে। খল ধারার চরিত্রে ছিলেন সাবেরী আলম ও মাসুম বাশার। যথারীতি এ সময়ের অন্যতম সেরা জুটি হিসেবে নিলয়-হিমিও তাদের চরিত্রে অনবদ্য ছিলেন বলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দর্শক প্রতিক্রিয়া থেকে জানা যায়।
নাটকটি নিয়ে নিলয় আলমগীর বলেন, ‘ঈদের সময়ের কত কত স্মৃতি থাকে আমাদের জীবনে। সেই সব স্মৃতিময় দিন এ নাটকে তুলে ধরা হয়েছে। আবার বাবার ভিটার জন্য যে ভাই ভাইয়ে সম্পর্কও নষ্ট হয়ে যায় তাও তুলে ধরা হয়েছে এ নাটকে।’
নাটকের পরিচালক মহিন খান বলেন, ‘আমি বিশেষত কৃতজ্ঞ শ্রদ্ধেয় দিলারা মায়ের প্রতি। কারণ আশির ঊর্ধ্ব বয়সেও তিনি এখনো যে শ্রম দেন তাকে স্যালুট জানাই। পাশাপাশি অন্যান্য শিল্পীর প্রতিও আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ভালোবাসা রইল। কারণ সবার সমন্বয়েই কাজটি এত ভালো হয়েছে।’
দিলারা জামান বলেন, ‘একান্নবর্তী আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যের গল্প নিয়ে নির্মিত নাটক। আমার দুই সন্তানকে ঘিরে আনন্দের গল্পের নাটক আবার কষ্টেরও নাটক। আমাদের জীবনের গল্পই উঠে এসেছে এ নাটকে। তারিক, বাশার, চিত্রা, মিঠু, সাবেরী, নিলয়, হিমি সবাই খুব ভালো অভিনয় করেছে। মন আছে শুটিংয়ের সময়টায় অনেক গরম ছিল। কিন্তু তার পরও সবাই ভীষণ আন্তরিকতা নিয়ে কাজটি করেছে। আসলে আমরা সবাই একটি পরিবারের মতো হয়েই কাজ করি।’










