লুসিয়া সিনেমার মাধ্যমে ২০১৩ সালে কন্নড় পরিচালক পবন কুমার তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। সিনেমাটি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছিল। ১০ বছর পরের দৃশ্য কিন্তু আলাদা। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া পবন কুমার পরিচালিত ‘ধুমাম’ সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে হোমবেইল ফিল্মস। এর আগে কেজিএফ ও কানতারার মতো মেগা-হিট সিনেমাগুলো এ প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারেই নির্মিত হয়েছিল। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মালয়ালম অভিনেতা ফাহাদ ফাসিল। পবন কুমার ধুমামের চিত্রনাট্য লিখেছিলেন ২০০৮ সালে। তখন তিনি এর নাম দিয়েছিলেন নিকোটিন। চিত্রনাট্য লেখা থেকে সিনেমা মুক্তি পাওয়া পর্যন্ত পেরিয়ে গেছে ১৫ বছর। ধুমাম নির্মাণ, হোমবেইল ফিল্মসের সঙ্গে যোগাযোগ ও ফাহাদ ফাসিলের সঙ্গে সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলেছেন স্ক্রল.ইনের সঙ্গে। সেখান থেকে নির্বাচিত কিছু অংশ পাঠকের সামনে তুলে ধরা হলো—

৫০ লাখ রুপিরও কম বাজেটে লুসিয়া নির্মিত হয়েছিল। এটি হিট হয়েছিল। তারপর অনেক অভিনেতা ও প্রযোজক আমার সঙ্গে কাজ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রজেক্টটি (ধুমাম) কেবল কন্নড় নয়, অন্য কোনো ইন্ডাস্ট্রির প্রযোজক বা তারকাকেও আকৃষ্ট করতে পারেনি। কেউই এগোতে চাননি। তারা সবাই অনুরাগ কাশ্যপের নো স্মোকিং সিনেমার উদাহরণ দিতেন, যেটি বক্স অফিসে ভালো করতে পারেনি।

আমি ক্রাউড ফান্ডিংয়ের চেষ্টাও করেছিলাম। যদি তা সম্ভব হতো, তাহলে আমরা কন্নড়েই সিনেমাটি বানাতাম। আমি নতুন অভিনেতা নিয়ে সিনেমাটি বানাতে পারতাম। কিন্তু আমি বাজেট পাচ্ছিলাম না। একসময় আমি বাজেট পেলাম। সিনেমাটি একটি নির্দিষ্ট রূপ পেল। 

আমি হোমবেইল ফিল্মসের সঙ্গে কাজ শুরু করলাম, যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ফাহাদ ফাসিলের যোগাযোগ ছিল। ২০১৮ সালে ইউ-টার্নের রিমেক শেষ করার পর গভীর রাতে আমি ফাহাদ ফাসিলের কাছ থেকে একটি এসএমএস পেলাম। তিনি লুসিয়ার ভক্ত ছিলেন। তিনি আমার সঙ্গে কাজ করতে চাইলেন। আমরা ই-মেইল ও ফোন কলের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছিলাম। তখনো তিনি নিকোটিন পড়েননি। আরো পরে হোমবেইলের সঙ্গে আমার যোগাযোগ হয়। তখন ফাহাদ ও আমি আবার যোগাযোগ করলাম। তিনি নিকোটিনের আইডিয়াটি পছন্দ করলেন। ইংরেজিতে লেখা ১৬০ পৃষ্ঠার চিত্রনাট্যের খসড়া তিনি পড়লেন। তারপর এতে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিলেন।

আজ যখন আমি ধুমাম দেখি, আমার মনে হয়, এটি যেন ফাহাদের জন্যই লেখা হয়েছিল। আর সিনেমাটি যেন এভাবেই বানানোর কথা ছিল।