উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে শীর্ষ স্থান দখল করেছে ‘ইন্ডিয়ানা জোন্স অ্যান্ড দ্য ডায়াল অব ডেসটিনি’। এটাই হওয়ার কথা। কিন্তু যা আশা করা হয়নি, তেমন আয় করেছে প্রথম সপ্তাহান্তে। তিনদিনে আয় করেছে মাত্র ছয় কোটি ডলার। খবর ভ্যারাইটি।

যারা ১৯৮১ সালে শুরু হওয়া সিরিজের প্রথম দিকের দর্শক তাদের কাছে এই অঙ্ক বড় হতে পারে। কিন্তু প্রচার বাদ দিয়েই ‘ইন্ডিয়ানা জোন্স ৫’-এর বাজেট সাড়ে ২৯ কোটি ডলার। সে হিসেবে ছয় কোটি ডলার একদমই কম।

ছবিতে মূল চরিত্রে আছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ড। প্রযুক্তির কারসাজিতে তাকে কম বয়সী চেহারায় দেখা যায়। এ নিয়েও হালে বেশ চর্চা হয়েছে।

‘ইন্ডিয়ানা জোন্স’ প্রযোজনা করেছে ডিজনি স্টুডিও। একইসঙ্গে মুক্তি পেয়েছে ড্রিমওয়ার্কস ও ইউনিভার্সালের ‘রুবি গিলম্যান, টিনেজ ক্রাকেন’। সাত কোটি ডলার বাজেটের পারিবারিক ছবিটিও বক্স অফিসে ভালো নেই। সপ্তাহান্তে আয় মাত্র ৫২ লাখ ডলার। এছাড়া ডিসি সুপারহিরো অ্যাডভেঞ্চার ‘দ্য ফ্ল্যাশ’ বিব্রতকরভাবে তৃতীয় সপ্তাহান্তে মাত্র ৫০ লাখ ডলার আয় করেছে, ছবিটি এখনো স্থানীয় বাজারে ১০ কোটি ডলারের ঘর পেরোতে পারেনি।

‘ইন্ডিয়ানা জোনস অ্যান্ড দ্য ডায়াল অব ডেসটিনি’ আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তুলে নিয়েছে ৭ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে প্রথম সপ্তাহান্তে আয় ১৩ কোটি ডলার। যা ‘দ্য ফ্ল্যাশ’ থেকে কম। ১০ কোটি ডলারের কম বাজেটে নির্মিত সুপারহিরো ছবিটির প্রথম তিনদিনে আয় ছিল ১৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

১৫ বছর আগে ২০০৮ সালে মুক্তি পায় সর্বশেষ ইন্ডিয়ানা জোন্স। তখন ‘কিংডম অব দ্য ক্রিস্টাল স্কাল’ সপ্তাহান্তে ১০ কোটি ডলার আয় করে।

ধারণা করা হচ্ছে, আগামীকাল ৪ জুলাইয়ের ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমাটির আয় বাড়বে। বৈশ্বিক আয় দাঁড়াবে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। তবে শিগগিরই বড় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়বে। কারণ ১২ জুলাই মুক্তি পাবে টম ক্রুজ অভিনীত ‘মিশন: ইম্পসিবল– ডেড রেকনিং পার্ট ওয়ান’ ও ২১ জুলাই আসবে ক্রিস্টোফার নোলান পরিচারিত ‘ওপেনহাইমার’। মুক্তির মিছিলে আছে মার্গট রবির ‘বার্বি’ও।

এদিকে স্পাইডার-ম্যানের এনিমেশন ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘স্পাইডার-ভার্স’ এখনো আয় করে যাচ্ছে। ঘরোয়া বক্স অফিসের ৩৪ কোটি ডলারসহ বৈশ্বিক আয় ছাড়িয়েছে ৬০ কোটি ডলার।