যুক্তরাষ্ট্রে নো টাইম টু ডাই মুক্তি পাবে ৮ অক্টোবর। তার আগে দুনিয়ার অনেক প্রান্তেই ছবিটি মুক্তি পেয়ে যাবে। রোববার নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে ছবিটি অন্তত ১০ কোটি মার্কিন ডলার আয় করবে। হলিউড রিপোর্টার তেমনটাই অনুমান করছে। তবে চলচ্চিত্রের বাজার বিশ্লেষকরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন। তারা জানাচ্ছেন একটি আশঙ্কার কথা। বন্ডের যে সিনিয়র ভক্তরা আছেন বিশ্বজুড়ে, তাদের অনেকেই হয়তো মহামারীর কারণে সিনেমা হলেও ভিড়ে যেতে চাইবেন না। তরুণদের কথা ভিন্ন। তারা কোনো বাধাই মানবে না।
লন্ডনে বেশ জমকালো প্রিমিয়ার হয়েছে নো টাইম টু ডাইয়ের। গতকাল ছবিটি দক্ষিণ কোরিয়ার হলে মুক্তি পেয়ে গেছে। সেখানে ধারণা মতোই ছবিটি বক্সঅফিসের শীর্ষে অবস্থান করছে। প্রথম দিনেই ছবিটির প্রায় চার হাজার স্ক্রিনিং হয়েছে। দিনে কোরিয়ার বক্সঅফিসের ৬২ শতাংশ আয় ছিল বন্ডের দখলে। দক্ষিণ কোরিয়াকে দুনিয়ার চতুর্থ বড় বক্স অফিস হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
যুক্তরাজ্যে রোববার নাগাদ ছবিটি বেশ ভালো আয় করবে, তাতে সন্দেহ নেই। শত হলেও জেমস বন্ড এখন ব্রিটিশ সংস্কৃতির রীতিমতো অংশ হয়ে উঠেছে।
ইউরোপ, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে আজ ও কাল নো টাইম টু ডাই মুক্তি পাবে। তবে দুনিয়ার অন্যতম বড় বক্সঅফিস চীনে ছবিটি মুক্তি পাবে ২৯ অক্টোবর। আর লকডাউনের কারণে অস্ট্রেলিয়ায় মুক্তি পিছিয়ে গেছে। সেখানে মুক্তি পাবে ১১ নভেম্বর। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়া বন্ড ফিল্মের আয়ের বেশ ভালো জায়গা। স্কাইফল দেশটিতে আয় করেছিল ৫ কোটি ডলার। জনসংখ্যার বিবেচনায় অস্ট্রেলিয়ার বক্সঅফিসের আয়ের হার অনেক বেশি।
কিছু দেশে মুক্তি পিছিয়ে যাওয়ায় সেখানে পাইরেসির আশঙ্কা করছেন পর্যবেক্ষকরা। আর তাতে নো টাইম টু ডাইয়ের আয়ে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।
ড্যানিয়েল ক্রেগের এই শেষ বন্ড ফিল্ম ২ ঘণ্টা ৪৩ মিনিটের। বেশ দীর্ঘ সময়ের কারণে ছবির হলগুলোয় শোয়ের সংখ্যা কমবে। এসব হিসাব-নিকাশ নিয়ে বন্ডের জাদু বক্সঅফিসে কেমন সাফল্য পাবে তা সময়ই বলে দেবে।
সূত্র: হলিউড রিপোর্টার










