মধুপুর। চিরচেনা বাংলার এক গ্রাম। তবে এক অভিশাপের কারণে আর দশটি গ্রাম থেকে মধুপুর একটু আলাদা। ২০ বছর ধরে মধুপুরের কোনো ছেলের সঙ্গে সে গ্রামেরই কোনো মেয়ের বিয়ে হওয়া বন্ধ আছে, যা এক গুণিনের গণনার ফলে আরো ৩০ বছর বলবৎ থাকবে। কাজেই মধুপুরে বেশকিছু যুবক-যুবতী অবিবাহিত রয়ে গেছে। আশপাশের গ্রামেও এদের বিয়ে দেয়া যাচ্ছে না। কেননা সবাই জানে মধুপুর একটি অভিশপ্ত গ্রাম। এখানে ছেলে বা মেয়ের বিয়ে দিলে বিপদ হবে। এ রকম এক গল্পকে ঘিরে নির্মিত হয়েছে দীর্ঘ ধারাবাহিক ‘মধুপুর’।

ঘটনা এখানেই শেষ নয়। এ গ্রামেই আছেন একজন পেশাদার ঘটক, যাকে সবাই মনির ঘটক (ফজলুর রহমান বাবু) নামে চেনে। তিনি হাজার চেষ্টা করেও গত ২০ বছরে গ্রামের কারো বিয়ে দিতে পারেননি। তার নিজেরও মাতৃহারা বিবাহযোগ্যা দুটি কন্যা আছে। নূরজাহান ও দিলজান। কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা হয়ে তিনি পরের ছেলেমেয়ের বিয়ের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দূরের এক গ্রাম থেকে তিনি ‘জলপরী’ নামে এক কন্যার ছবি এনেছেন, যাকে বিয়ে করার জন্য গ্রামে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। এভাবেই নাটকে আবির্ভাব ঘটে একের পর এক চরিত্রের। গ্রামে শুরু হয় দ্বন্দ্ব-সংঘাত আর উত্তেজনা। গল্পের ভেতর তৈরি হয় আরেক গল্প।

১৯ জানুয়ারি থেকে বৈশাখী টেলিভিশনে প্রচারিত হবে ধারাবাহিকটি। প্রতি মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় দেখানো হবে। এসজে মোশন পিকচারস প্রযোজিত নাটকটি রচনা করেছেন মমর রুবেল। পরিচালনা করেছেন এসএম শাহীন। এতে অভিনয় করেছেন একঝাঁক তারকা শিল্পী—ফজলুর রহমান বাবু, অরুণা বিশ্বাস, ফারুক আহমেদ, নাদিয়া, মীর সাব্বির, এসএম মহসিন, নাজিরা মৌ, তানভির মাসুদ, তারিক স্বপন, আইরিন আজাদ, শেলী আহসানসহ আরো অনেকে।