এমন এক সময় ছিল যখন ভারতে বড় বাজেটের সিনেমাগুলোয় হলিউড থেকে পোস্ট-প্রডাকশন ইউনিট ভাড়া করে আনা হতো। বেশির ভাগই ছিল ভিএফএক্স ও সিজিআইয়ের জন্য। তবে সময় বদলেছে। ভারতীয় নির্মাতা ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো অবশেষে এ খাতে বিনিয়োগ করা শুরু করেছে। সে ধারাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে যশরাজ ফিল্মস। পাঠানের ব্যাপক সাফল্যের পর এখন সব আলো ‘ওয়াইএফএক্স’-এর ওপর। উল্লেখ্য, যশরাজ ফিল্মসের ভিএফএক্স টিমের নাম ওয়াইএফএক্স।

যশরাজ ফিল্মসের বেশ কয়েকটি প্রজেক্টে কাজ করেছে ওয়াইএফএক্স। মাত্র ১০-২০ জন কর্মী নিয়ে যাত্রা করা প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মীর সংখ্যা বর্তমানে দুই শতাধিকে পৌঁছেছে। প্রথমে তারা কেবল বিজ্ঞাপন বানাত। এখন তারাই বিশ্বের সেরা পোস্ট-প্রডাকশন ইউনিটের তকমা অর্জনে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে। আর এ ইউনিটের নেতৃত্বে আছেন শেরি ভারদা। 

সম্প্রতি ভারতের ভিএফএক্স ইন্ডাস্ট্রির অগ্রগতি নিয়ে ইন্ডিয়া টুডের সঙ্গে কথা বলেছেন শেরি। সেখানে বাজেটের কথা উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক মান অর্জনে করণীয় নিয়েও আলোচনা করেছেন তিনি।

একটি ভিএফএক্স ডিপার্টমেন্ট তৈরি করা সহজ ব্যাপার নয়। এজন্য বড় বাজেটের প্রয়োজন। ওয়াইএফএক্স টিম তৈরি করার ক্ষেত্রে লজিস্টিকসের সীমাবদ্ধতা বিষয়ে শেরির কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘চলার পথে আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে। এটি আমরা একেবারে শুরু থেকেই জানতাম। এ নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি ছিল না। উন্নতির পথে আমরা প্রতিনিয়ত নিজেদের প্রয়োজনীয় সব বিষয়ে সুসজ্জিত রাখার চেষ্টা করি।’

এভাবে অল্প অল্প করে এগিয়েছে ওয়াইএফএক্স। শেরি বলেন, ‘২০১৬ সালে মাত্র ৩০ জন সদস্য ছিলেন। বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ২৫০ ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিটি সিনেমা নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে। তা যথাযথভাবে মোকাবেলা করতে আমাদের পাইপলাইন নতুনভাবে সাজানো হয়। দক্ষতা অর্জনে আমরা কঠোর পরিশ্রম করি।’

আলাপচারিতায় পাঠান সিনেমার পোস্ট-প্রডাকশনের অভিজ্ঞতা নিয়ে শেরি বলেন, ‘পাঠান সিনেমার পোস্ট-প্রডাকশনের কাজ সম্পন্ন করতে আমাদের নয় মাস সময় লেগেছিল। করোনা মহামারীর সময় এর শুটিং করা হয়েছিল। তাই আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে।’

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে