দি একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস নতুন কিছু নিয়ম জারি করেছে। গত বছর আন্দ্রেয়া রাইজেনবরো, টম ক্রুজ ও মিশেল ইয়োকে নিয়ে বিতর্ক তৈরির কারণে এ ব্যবস্থা। গত বছর অস্কার নিয়ে বেশকিছু অভিযোগ ও সমালোচনা হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও পাবলিক ফোরামে। নিয়মে সংস্কার এনে এ বিষয়গুলো আরো স্পষ্ট করা হলো। জারি হলো কিছু নতুন নিয়ম—

প্রথমত, সিনেমা নিয়ে ব্যক্তিগত বা দলীয় উদ্যোগে জমায়েত করার বিষয়ে চালু থাকা নিয়ম আরো স্পষ্ট হয়েছে। দ্বিতীয়ত, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরাসরি একাডেমির সঙ্গে যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া কী হবে সে নিয়ম সংশোধন করা হয়েছে। তৃতীয়ত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমার প্রমোশন কেমন হবে, তা দিয়েও বিস্তারিত নিয়ম জানাবে একাডেমি। এছাড়া ‘‌ফর ইয়োর কনসিডারেশন’ ও প্রশ্নোত্তরভিত্তিক স্ক্রিনিংয়ের জন্যও একাডেমির নির্দেশনা থাকবে। রিপোর্টিং ও রিভিউয়ে কোনো নিয়ম ভঙ্গ বা অন্যান্য নিয়ম ভঙ্গের কারণে শাস্তিবিধানও নতুন করে তৈরি করছে একাডেমি।

এখনো একাডেমির পক্ষ থেকে এ নিয়মগুলোর বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে গত বছর একাধিক সিনেমা তাদের পিআর মার্কেটিং ও অন্যান্য সুযোগ ব্যবহার করে নিজেদের সিনেমাকে একাডেমির সামনে হাজির করেছে। এক্ষেত্রে ‘‌প্রাইভেট ইভেন্ট’ ও নানা প্রদর্শনীর পাশাপাশি মোশন পিকচার এ ধরনের কোনো প্রদর্শনীতে যুক্ত হবে না বলেও জানানো হয়েছে। 

অস্কারের ৯৫তম আসরে মনোনয়ন পাওয়া আন্দ্রেয়া রাইজেনবরোর মনোনয়ন, মিশেল ইয়োকে নিয়ে একাডেমি প্রেসিডেন্ট জ্যানেট ইয়াংয়ের টুইটের পাশাপাশি প্যারামাউন্টের ককটেল পার্টিতে টম ক্রুজের প্রতি সম্মাননার মাধ্যমে টপ গানের ক্যাম্পেইন করা থেকে এসব বিষয়ে কঠোর অবস্থানে এসেছে একাডেমি। এছাড়া ৯৪তম অস্কারে উইল স্মিথের থাপ্পড় কাণ্ডও একাডেমির মাথাব্যথার কারণ হয়েছিল।

সূত্র: ভ্যারাইটি