আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় ফ্যাশন ডিজাইনার সব্যসাচী মুখার্জি। বলিউডের তারকাদের বেশির ভাগ পোশাক তার ডিজাইন করা। এবার বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এ ডিজাইনার উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মুম্বাইয়ে সব্যসাচী ব্র্যান্ডের আউটলেটে ‘টু উইমেন’ নামের একটি ফলকে নিজের মায়ের নামের সঙ্গে রুনা লায়লার কথা তুলে ধরেছেন।
সব্যসাচীকে ধন্যবাদ দিয়ে ফেসবুকের একটি পোস্টে রুনা লায়লা লিখেছেন, ‘আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত ডিজাইনার সব্যসাচী মুখার্জি তার মুম্বাইয়ের একটি স্টোরের আউটলেটের ফলক রেখেছেন, যাতে লেখা রয়েছে টু উইমেন। এ দুজনের মধ্যে একজন তার মা ও অন্যজন আমি। আমি খুবই সম্মানিত বোধ করছি। ধন্যবাদ, সব্য।’
ওই ফলকে, ‘রুনা লায়লার প্রশংসা করে সব্যসাচী বলেন, সীমান্তের ওপারে, বাংলাদেশে আমি একজন নারীকে বেশ সম্মান করি। কালো ও সোনালি রঙের শাড়ির সঙ্গে স্লিভলেস ব্লাউজ এবং কানে চানবালি গয়না ও ছোট চুলের স্টাইলে হাজির হয়েছিলেন এ নারী। কিংবদন্তি এ গায়িকার নাম রুনা লায়লা। আমি এ গায়িকার প্রতি মুগ্ধ ছিলাম। সে সময় আমার বাবা আমাকে দূরদর্শন দেখার জন্য ঠিক ১০ মিনিট সময় দিতেন। ওই ১০ মিনিট সময়ই আমার জন্য বরাদ্দ ছিল শুধু রুনা লায়লাকে ‘‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’’ গাইতে দেখার জন্য।’
অন্যদিকে একই ফলকে মাকে উদ্দেশ করে সব্যসাচী লিখেছেন, ‘আমার মায়ের একটা ফিরোজা নীল রঙের শাড়ি ছিল, সঙ্গে সোনালি মোটিফ আর বেবি পিংক ফল। আমার দাদি শাড়িটা পছন্দ করতেন না। তিনি বলতেন, এটা বেশি জমকালো। আর আমার কাছে মনে হতো এটা বেশ উজ্জ্বল। কিন্তু আমার মা এ শাড়ি চমৎকারভাবে স্টাইল করে পরতেন। শর্ট বব চুলে, একটা বেশ বড় টিপ, কানে স্বর্ণের চানবালি দুল ও ফিরোজা স্লিভলেস ব্লাউজ পরতেন তিনি, যা তখনকার দিনে খুব একটা প্রচলিত ছিল না।’
বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা তার ফ্যাশনের জন্যও প্রশংসিত। তার একাধিক জনপ্রিয় গানের একটি ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’। রুনা লায়লাকে নিয়ে এটাই সব্যসাচীর প্রথম প্রশংসা নয়। ২০২০ সালের মে মাসের দিকে রুনা লায়লার কানের দুল থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে একটি কানের দুল ডিজাইন করেছিলেন সব্যসাচী। এ নিয়ে সে সময় রুনা লায়লা সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘ভারতের দূরদর্শন চ্যানেলে ‘‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’’ গানটি পরিবেশনের সময় যে ঢঙের কানের দুল পরতাম, সব্যসাচী মুখার্জি সে রকম দুল ডিজাইন করেছে। ব্যাপারটা ভালো লেগেছে।










