বছরের সবচেয়ে বড় ওপেনিং পেয়েছিল ‘আদিপুরুষ’। সে সুবাদে সর্বভারতীয় তারকা দৌড়ে ফের এগিয়ে আসেন প্রভাস। কিন্তু সোমবার থেকে আয়ের পতনে এই তারকা পিছিয়ে পড়েন।

গত কয়েক বছরে প্রভাস ধারাবাহিকভাবে সর্ব-ভারতীয় সুযোগ পেয়ে আসছিলেন। ‘বাহুবলি’ তাকে এই মর্যাদা দিয়েছিল। এরপর সাহো, রাধে শ্যাম ব্যর্থ হওয়ায় তুরুপের তাস ছিল ‘আদিপুরুষ’। তবে হিন্দি সংস্করণের সন্তোষজনক ওপেনিং হলেও সেই গতি রাখতে পারেননি।

ভারতীয় সিনেমা বললে বহির্বিশ্ব এক নামে শাহরুখ খানকে চেনে। কিন্তু প্যান-ইন্ডিয়ান তারকা হিসেবেও তার নাম জুতসই নয়। সর্বশেষ সিনেমা ‘পাঠান’ একাধিক ভারতীয় ভাষায় মুক্তি পেয়ে হিন্দিতে আয় করে ৫২৪ কোটি রুপি। কিন্তু  অন্য দুটি ভাষায় মাত্র ১৮ কোটি রুপি আয় করেছে।

অন্যদিকে ‘কেজিএফ টু’র ব্যাপক সাফল্যে যশ এগিয়ে থাকলেও একটি মাত্র সিনেমা প্যান-ইন্ডিয়া সুপারস্টার তৈরির জন্য যথেষ্ট নয়। তাকে আরো পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।

অতীতে রজনীকান্ত এনথিরান ও ২.০ এর মতো চলচ্চিত্র দিয়ে পুরো ভারতে হইচই তুললেও সাম্প্রতিক সিনেমাগুলো পরপর ব্যর্থ হয়েছে। কমল হাসান ও চিরঞ্জীবীর ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যেতে পারে।

সত্যি বলতে একজন মানুষই প্যান-ইন্ডিয়ান তারকা হওয়ার যোগ্য, যিনি কোনো অভিনেতা নন। তিনি হলেন পরিচালক এসএস রাজামৌলি। ‘বাহুবলি’ দুই কিস্তি দিয়ে তিনি নিজের মেধার প্রমাণ করেছেন। এরপর ‘আরআরআর’ তাকে অন্যরকম উচ্চতায় নিয়ে গেছে। হলিউডেও এখন তার নামডাক ছড়াচ্ছে।

এসএস রাজামৌলি। ছবি: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

‘বাহুবলী বিগিনিং’ হিন্দি ও তেলেগু উভয় ভাষায় ১০০ কোটি রুপি আয় করেছে। দ্বিতীয়টি হিন্দিতে ৫০০ কোটি রুপি, তেলেগুতে ৩৩৮ কোটি রুপি, তামিল ভাষায় ১২৫ কোটি রুপি এবং মালায়লামে ৫৫ কোটি রুপি আয় করেছে। এ তালিকায় কন্নড় ভাষাও রয়েছে। সব মিলিয়ে রাজামৌলির চলচ্চিত্রগুলো সমগ্র ভারতে প্রধান প্রধান ভাষায় সফল। যা ধারাবাহিকভাবে কোনো তারকা দেখাতে পারেননি।

এছাড়া সামনে কিছু বড় আয়োজনের প্যান-ইন্ডিয়ান ছবি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’, প্রভাসের ‘প্রজেক্ট কে’ ও ‘সালার’। রাম চরণ ও জুনিয়র এনটিআরের মতো তারকারাও সাম্প্রতিক পুঁজি কাজে লাগানোর চেষ্টা করবেন। 

ডিএনএ অনুসারে