দর্শকের পছন্দের ফ্র্যাঞ্চাইজি জুরাসিক পার্ক। এবারের সিনেমা জুরাসিক ওয়ার্ল্ড: রিবার্থ। ইউনিভার্সাল প্রযোজিত সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন গেরেথ এডওয়ার্ডস। অভিনয় করেছেন স্কারলেট জোহানসন, জোনাথন বেইলি ও মাহেরশালা আলি। মুক্তির পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের মতো। বছরের অন্যতম সেরা আয় করা সিনেমার তালিকায় এটি তাই থাকছে তৃতীয় অবস্থানে।

বক্স অফিসের আয়ের হিসাবে এ বছর প্রথমে আছে ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’। সিনেমাটি ১০০ কোটি ডলার আয় করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ওয়ার্নার ব্রোসের ‘আ মাইনক্রাফট মুভি’। এটি আয় করেছে ৯৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার ।

জুরাসিক ওয়ার্ল্ড আন্তর্জাতিক দর্শক বিশেষভাবে পছন্দ করেছে। বিদেশী বাজার থেকে এ সিনেমা আয় করেছে ৪৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সিনেমাটি যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডের বাজার থেকে ৪ কোটি ২০ লাখ, মেক্সিকো থেকে ৩ কোটি ৪০ লাখ ও জার্মানি থেকে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার আয় করেছে। তবে এর আগের সিনেমাগুলো ১০০ কোটি ডলার আয় করেছিল।

45

এদিকে জোসেফ কোসিনস্কি পরিচালিত ‘এফ ওয়ান’ও বক্স অফিসে শক্তিশালী অবস্থানে আছে। ছয় সপ্তাহ শেষে এটি বিশ্বব্যাপী ৫৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করেছে। এফ ওয়ান এখন ব্র্যাড পিটের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমা হয়ে উঠেছে। সিনেমাটি ২০১৩ সালের ‘ওয়ার্ল্ড ওয়ার জি’-কে ছাড়িয়ে গেছে (সিনেমাটি ৫৪ কোটি ডলার আয় করেছিল; মুদ্রাস্ফীতি বিবেচনা করা হচ্ছে না)। এর আগেই মার্টিন স্করসেসির ‘কিলারস অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ (১৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার) ও রিডলি স্কটের ‘নেপোলিয়ন’কে (২২১ মিলিয়ন) ছাড়িয়ে অ্যাপলের সবচেয়ে বড় থিয়েটার-রিলিজড সিনেমা হয়ে উঠেছিল এ সিনেমা।

জেমস গানের সুপারম্যান আয় করেছে ৫৫ কোটি ডলার। এর মধ্যে ২৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় হয়েছে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এবং উত্তর আমেরিকা থেকে এসেছে ৩১ কোটি ৬০ লাখ ডলার। তবে সিনেমাটি নিয়ে দর্শক, স্টুডিও এমনকি বক্স অফিসের আশা ছিল বেশি। কিন্তু সে আশা পূরণ হয়নি। সুপারম্যানের আয়ের ৬০ শতাংশ এসেছে উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে। সাধারণত ব্লকবাস্টার সিনেমাগুলোয় উত্তর আমেরিকার বাইরে থেকে বেশি আয় হয়। সুপারম্যানের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে বড় বাজারগুলো হচ্ছে যুক্তরাজ্য, মেক্সিকো ও ব্রাজিল। তিনটি বাজার থেকে আয় হয়েছে যথাক্রমে ৩ কোটি ২০ লাখ, ২ কোটি ১৮ লাখ ও ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

অন্যদিকে ডিজনি-মার্ভেলের ‘দ্য ফ্যান্টাস্টিক ফোর: ফার্স্ট স্টেপস’ আন্তর্জাতিক বাজারে দ্বিতীয় সপ্তাহ শেষে আয় করেছে ৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। প্রথম সপ্তাহের তুলনায় আয় কমেছে ৫৮ শতাংশ। সিনেমাটি এ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী মোট আয় করেছে ৩৬ কোটি ৮৭ লাখ ডলার।

এছাড়া নতুন মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলোর মধ্যে ড্রিমওয়ার্কস অ্যানিমেশনের ‘দ্য ব্যাড গাইজ ২’ ৫৮টি দেশে ১ কোটি ৬৩ লাখ ডলার আয় করেছে। এ আয় ২০২২ সালের ‘দ্য ব্যাড গাইজ’-এর তুলনায় সামান্য বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমাটি ২ কোটি ২৮ লাখ ডলার দিয়ে শুরু করেছে। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী ওপেনিং আয় হয়েছে ৪ কোটি ৪৫ লাখ ডলার।

প্যারামাউন্টের ‘দ্য নেকেড গান’ রিবুট, ৪৬টি বাজার থেকে ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার আয় করেছে প্রথম সপ্তাহ শেষ করে। সিনেমায় লিয়াম নিসন একজন গোয়েন্দার চরিত্রে এবং পামেলা অ্যান্ডারসন তার সঙ্গীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। উত্তর আমেরিকায় সিনেমাটি ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করেছে ওপেনিংয়ে। বিশ্বব্যাপী মোট আয় এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৮৫ লাখ ডলার।

সূত্র: ভ্যারাইটি ও ডেডলাইন