বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে শুরু হয়েছে ‘গণজাগরণের পুতুলনাট্য উৎসব’। সারা দেশে ১২ দিনব্যাপী এ উৎসব চলবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে গতকাল দেশব্যাপী পুতুলনাট্য উৎসবের উদ্বোধন করা হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে উৎসবটি। সারা দেশের স্কুল-কলেজ, জেলা পরিষদ ও জেলা শিল্পকলা মিলনায়তনে পুতুলনাট্য প্রদর্শনী হবে। এর প্রতিটি প্রদর্শনী দর্শকের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প নিয়ে পৌঁছে যাব আমরা উন্নতির শিখরে’-এ প্রতিপাদ্য নিয়ে উৎসবটি শুরু হয়েছে। 

সংস্কৃতির সবচাইতে শক্তিশালী মাধ্যম হলো লোকসংস্কৃতি, যার অন্যতম আঙ্গিক পুতুলনাট্য। আমাদের দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে পুতুলের সম্পর্ক অনেক গভীর। সে ভাবনা থেকে ১২ দিনব্যাপী গণজাগরণের পুতুলনাট্য উৎসবের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। উৎসবের প্রথম দিনে উপস্থিত দর্শকের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়েছে ঐ‌তিহ্যবাহী পুতুলনাট্যের নব‌নির্মাণ ‘‌মানুষ’। এটি প্রযোজনা করেছে ঐতিহ্যবাহী পুতুলনাট্য গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র। আরব্যরজনীর গল্প অনুসরণে এটি নির্মিত হয়েছে। এছাড়া মুজিব গ্র্যাফিক নভেল অবলম্বনে পাপেট নাটক ‘‌চশমা’ প্রদর্শিত হয়েছে। পুতুলনাট্যটি প্রযোজনা করেছে জলপুতুল পাপেটস। এর নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন সাইফুল জার্নাল।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি মনে করে, লোক শিক্ষার অন্যতম বাহন পুতুলনাট্য। যুগে যুগে যা তার উপস্থাপনা ও প্রয়োগ শৈলীর মাধ্যমে বিষয়বস্তু, সময় ও পরিস্থিতিকে ব্যাখ্যা করে মানুষের আত্মিক উন্নয়নের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের সামষ্টিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।