বই প্রকাশ হওয়ার পর তুমুল জনপ্রিয় হয় ড্রাকুলা। এ বছরও ড্রাকুলাকে নিয়ে সিনেমা নির্মিত হয়েছে। নিকোলাস কেজ অভিনয় করেছেন ক্রিস ম্যাকি পরিচালিত সিনেমা রিনফিল্ডে। ব্রাম স্টোকারের ১৮৯৭ সালের গল্প ২০২৩ সালেও বেঁচে আছে ১০০ বছর পার করে। এ ১০০ বছরে ড্রাকুলার গল্প নিয়ে অগণিত সিনেমা নির্মিত হয়েছে। এখানে তার মধ্যে ১০টি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।
নসফেরাতু : জার্মান এক্সপ্রেশনিস্ট ঘরানার নির্বাক সিনেমা নসফেরাতু। স্টোকারের গল্প থেকে এ সিনেমাটি অনানুষ্ঠানিকভাবে নির্মিত হয় ১৯২২ সালে। সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন ম্যাক্স শ্রেক। তার অভিনয় এখনো অভিনেতাদের জন্য শিক্ষণীয় হিসেবে বিবেচিত।
ড্রাকুলা : ১৯৩১ সালে নির্মিত হয় হরর ঘরানার সিনেমা ড্রাকুলা। বেলা লুগোসি অভিনীত এ সিনেমাটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাডাপ্টেশন। এ সিনেমাটিও এখন পর্যন্ত ক্রিটিকদের প্রশংসা পায়। এ সময়ের পর অনেকদিন উল্লেখযোগ্য কোনো সিনেমার নাম পাওয়া যায় না। এর মানে এমন না যে সিনেমা নির্মিত হয়নি স্টোকারের গল্প থেকে। কিন্তু তা অতোটা ভালো ছিল না।
ড্রাকুলা : ১৯৭৯ সালে মুক্তি পায় জন বাধাম পরিচালিত ড্রাকুলা। অভিনয়ে ফ্র্যাংক ল্যাভেলা ছিলেন কাউন্টের চরিত্রে এবং লরেন্স অলিভিয়ার অভিনয় করেছিলেন ভ্যান হেলসিং চরিত্রে। যদিও এ সিনেমাটি মূল গল্প থেকে সরে গিয়ে কিছু স্বাধীনতা নিয়েছিল কিন্তু সিনেমা হিসেবে ছিল দারুণ। অভিনয়ের ক্ষেত্রেও সিনেমাটি পেয়েছিল দুজন দুর্দান্ত অভিনেতাকে।
ব্রাম স্টোকার’স ড্রাকুলা : ১৯৯২ সালে মুক্তি পায় ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা পরিচালিত সিনেমাটি। এতে কাউন্টের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন গ্যারি ওল্ডম্যান এবং হেলসিংয়ের চরিত্রে স্যার অ্যান্থনি হপকিন্স। ভিজুয়ালের দিক থেকে এ সিনেমাটি এগিয়ে থাকে অনেক বেশি। গথিক কস্টিউম ব্যবহারে কপোলা সেরা।
এর বাইরেও পাঁচটি সিনেমার নাম করা যায় যা মূল গল্পের সঙ্গে মিল রেখে রেখে ভালো রূপান্তর করেছিল। এর মধ্যে ২০২০ সালে নেটফ্লিক্স মুক্তি দিয়েছিল ড্রাকুলা। এ সিনেমার একটি বিশেষত্ব হলো হেলসিং চরিত্রে তারা নারী অভিনেত্রীকে নিয়েছিল। ভ্যান হেলসিং হয়েছিলেন আগাথা ভ্যান হেলসিং।
এদিকে নেটফ্লিক্স, অ্যামাজনের আগে বিবিসি তৈরি করত সিরিজ। ২০১৯ সালে তারা ড্রাকুলা থেকে নির্মাণ করেছিল মিনি সিরিজ। ১৯৮৩ সালে নির্মিত দ্য হাঙ্গার বেশ ভিন্ন ধারার সিনেমা। ড্রাকুলার গল্প থেকে নির্মিত হলেও বইয়ের সঙ্গে একটু পার্থক্য ছিল উপস্থাপনে। কিন্তু ডেভিড বোয়ি এ সিনেমায় যে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়েছেন তা মনে রাখার মতো। ২০০০ সালে মুক্তি পায় মেটা ফিকশন ফিল্ম শ্যাডো অব ভ্যাম্পায়ার। তবে ২০০৪ সালের সিনেমা ভ্যান হেলসিং সে তুলনায় কৌতুহলজাগানিয়া। যদিও খুব প্রশংসিত না তবে সিনেমাটি উপভোগ্য।
ড্রাকুলা : পেজেস ফ্রম আ ভার্জিন’স ডায়রি। নির্বাক সিনেমার বেশকিছু উপাদান আছে এতে। একটা ক্ল্যাসিক ভাব তৈরি হয় এ কারণে।










