এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘শাপলা ছাড়া এনসিপি নিবন্ধন নেবে না এবং শাপলা ছাড়া অন্য কোনো প্রতীকে এনসিপির নিবন্ধন হবে না।’
গতকাল সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন ভবনে সিইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমনটিই জানিয়েছেন তিনি।
এছাড়া নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরো জানান, এনসিপির শাপলাকে প্রতীক চাওয়া নিয়ে কোনো আইনি ও রাজনৈতিক বাধা নেই। এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলও আপত্তি তোলেনি। সেক্ষেত্রে তিনি ইসির বিরুদ্ধে ‘তৃতীয় কোনো শক্তির’ প্রভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের অভিযোগ তোলেন। নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘প্রতীক প্রশ্ন এখন আর প্রতীক প্রশ্ন নেই। অন্য কোনো ষড়যন্ত্র চলছে নির্বাচন ঘিরে। যার মাধ্যমে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার প্রয়াস চলছে৷ আর সে বিষয়টি এ মাসের মধ্যেই স্পষ্ট হবে বলে আশা করছি। তখন আমরা ইসির পদত্যাগের বিষয়ে ভাবব।’
শাপলা প্রতীক এখন এনসিপির হয়ে গণমানুষের কাছে প্রতিনিধিত্ব করছে বলে জানান নাসীরুদ্দীন। সেক্ষেত্রে একমাত্র গণমানুষই নির্ধারণ করত পারবে এনসিপি এটি পাবে কিনা। প্রতীক বিতর্কে ইসির অনড় অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ধানের শীষ, তারা, সোনালি আঁশের মতো প্রতীক দিতে সমস্যা না থাকলে শাপলা নিয়ে তাদের সমস্যা কোথায়।’
বর্তমান কমিশনের কাজের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের গোপন নথি কীভাবে কোনো সংবাদপত্রের কাছে যায়? এটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্যই হুমকি। এটি তাদের নিশ্চয়ই কমিশন থেকেই সরবরাহ করা হচ্ছে। কোনো কিছুর বিনিময়ে কিংবা স্বার্থে সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্র বাড়তে থাকলে এনসিপিও বসে থাকবে না।’
এছাড়া শাপলা প্রতীক না দেয়া হলে, ইসির নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে, এনসিপি কোটা আন্দোলনের মতো অধিকারের জন্য আবারো আন্দোলনে নামবে বলেও জানিয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। আর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু হলেও সে মৃত্যুকে হাসিমুখে বরণ করবেন বলেই জানান তিনি।










