গণতন্ত্রের একটি শক্তিশালী বুনিয়াদ ও জবাদিহিতার সংস্কৃতি তৈরি করাই হবে ভবিষ্যৎ বিএনপির লক্ষ্য। বিবিসি বাংলার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বিএনপির রাজনীতিতে কতটা পরিবর্তন হয়েছে এবং ভবিষ্যৎ বিএনপি কেমন হবে— এ প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হচ্ছে, জনগণ, দেশ ও দেশের সার্বভৌমত্ব। আমরা দুটো বিষয় নিয়ে বাংলাদেশে খুবই গর্ব করি। একটি হচ্ছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প, আরেকটি হচ্ছে প্রবাসীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে যে কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠান— এই দুটোই কিন্তু বিএনপি শুরু করেছিল।

আমরা দেখেছি, বিএনপির সময় শুরু হয়েছিল প্রবাসীদের বিদেশ যাওয়া, একই সাথে গার্মেন্ট শিল্পের প্রসার। এর বাইরেও যদি আমরা দেখি, ১৯৭৪ সালে যে দুর্ভিক্ষটা হয়েছিল, পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন, আমরা দেখেছি কিভাবে ধীরে ধীরে দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে অল্প পরিমাণ করে হলেও সে সময় বিদেশে খাদ্য রফতানি, চাল রফতানি করেছিলাম।

আর রাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে যদি আমরা দেখি, একসময় সকল দলকে নিষিদ্ধ করে একটি দল বাকশাল করা হয়েছিল। বিএনপির কাঁধে যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পড়ে, তখন বহুদলীয় গণতন্ত্রের চালু আবার করা হয়েছিল।

আমরা অতীতে এই ভালো কাজগুলো করেছি। ভবিষ্যতে ইনশাআল্লাহ এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই আমরা সামনে এগিয়ে যাব। ভবিষ্যৎ বিএনপির অন্যতম মূল লক্ষ্য হবে, গণতন্ত্রের একটি শক্তিশালী বুনিয়াদ তৈরি করা। জবাবদিহিতা তৈরি করা।