এতে বাংলাদেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও টেকসই ব্লু-ইকোনমি বা সামুদ্রিক অর্থনীতির উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এসসিবি সম্প্রতি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এসসিবির চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. বখতিয়ার এবং ভাইস চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খানসহ পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ওশান সেন্টার ইনিশিয়েটিভের পক্ষে ছিলেন গ্লোবাল লিড প্যাট্রিসিয়া ফুর্তাদো; ইউএন গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের (জিসিএনবি) নির্বাহী পরিচালক শাহামিন এস জামান; ওশান সেন্টার বাংলাদেশের উপদেষ্টা ও ফোকাল পয়েন্ট কমোডর (অব.) সৈয়দ আরিফুল ইসলাম এবং ওশান সেন্টার বাংলাদেশের কান্ট্রি লিড ক্যাপ্টেন (অব.) এমএ মুকিত খান।
সভায় স্বাগত বক্তব্যে এসসিবির চেয়ারম্যান বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক বাণিজ্য, বন্দর উন্নয়ন, মৎস্য খাত এবং উদীয়মান অফশোর খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। পাশাপাশি নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব ও দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নের লক্ষ্যে আরো মনোযোগ দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় শিপিং ও বন্দর নিরাপত্তা, বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, নীতি সংলাপ ও জ্ঞান বিনিময়, গ্রিন শিপিং ও টেকসই লজিস্টিকস, গবেষণা ও তথ্য বিনিময় এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মতো ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরা হয়।
এসসিবির প্রতিনিধিরা ওশান সেন্টার বাংলাদেশের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে রফতানিকারক, আমদানিকারক, সামুদ্রিক বাণিজ্য, ব্যাংক ও সরকারি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।










