এ অভ্যুত্থানের ঢেউ পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ও ২০২৫ সালে নেপালেও আছড়ে পড়ে। তরুণদের রক্ত ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে তিনটি দেশেই দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকা অলিগার্কিক গোষ্ঠীর হাত থেকে জনগণ তাদের অধিকার পুনরুদ্ধার করে। ফলে তিনটি দেশেই অভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালন করে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। এসব দেশের নির্বাচন ও নির্বাচিত সরকার পুনরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। গণ-অভ্যুত্থান থেকে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় পৌঁছতে তিনটি দেশকেই নানা চড়াই-উতরাই অতিক্রম করতে হয়েছে।
শ্রীলংকার অভ্যুত্থান ও নির্বাচনের ফলাফল
দুই দশকের অলিগার্কিক ক্ষমতার ধারাকে ভেঙে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে আনূঢ়া কুমারা দিশানায়াকা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। তবে তিনি ও তার দল জনতা বিমুক্তি পেরামুনা (জেভিপি) অভ্যুত্থানের আগে তুলনামূলকভাবে অখ্যাত ছিল। প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯৪ সালের নির্বাচনে দলটি মাত্র ৫ শতাংশ ভোট পেয়ে একটি আসন লাভ করতে সক্ষম হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৯ সালের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে দিশানায়াকার দল মাত্র ৩ শতাংশ ভোট পায় এবং পার্লামেন্টে তাদের আসন সংখ্যা ছিল মাত্র তিনটি। অথচ অভ্যুত্থানের দুই বছরের মধ্যেই দলটি ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট অর্জন করে ভূমিধস বিজয় লাভ করে। এ বিজয়ের পেছনে অভ্যুত্থানের প্রত্যক্ষ প্রভাব ছিল এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।
রাজাপাকসে পরিবারের হাতে কেন্দ্রীভূত ক্ষমতার যে ভাঙন ‘আরাগালায়া’ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, তার পূর্ণাঙ্গ পরিণতি যেন দিশানায়াকার নেতৃত্বেই প্রতিফলিত হয়েছে। এ নির্বাচনের ফলাফলের মাধ্যমে শ্রীলংকার জনগণ, বিশেষত তরুণ সমাজ, একটি সুস্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছে তারা প্রচলিত ও গতানুগতিক রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আস্থা হারিয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে দিশানায়াকা জনগণকে অবাস্তব বা গগনচুম্বী স্বপ্ন দেখানোর পরিবর্তে বাস্তবমুখী নীতির ওপর জোর দিচ্ছেন। তিনি শ্রীলংকার পুনর্গঠনে বিশেষভাবে তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন—স্বচ্ছতা, দুর্নীতি দমন ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠন।
নেপালের অভ্যুত্থান ও নির্বাচনের ফলাফল
নেপালে দীর্ঘদিন ধরে তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দল অর্থাৎ নেপালি কংগ্রেস, সিপিএন-ইউএমএল ও মাওবাদী কমিউনিস্টদের মাঝেই ক্ষমতার পালাবদল হয়ে আসছিল। কখনো পারস্পরিক সমঝোতা, আবার কখনো বিরোধিতার মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজেদের মধ্যে ক্ষমতার ভাগাভাগি চলত; এক ধরনের অলিখিত চুক্তির ভিত্তিতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হতো। এ প্রক্রিয়ায় রাজনীতি ও দুর্নীতি একে অন্যের সমার্থক হয়ে ওঠে।
সাধারণ মানুষ যখন অর্থনৈতিক সংকটে জীবনযাপন করছিল, তখন রাজনীতিবিদ ও তাদের পরিবারের বিলাসবহুল জীবনযাপন জনমনে ক্ষোভ ও অসন্তোষের জন্ম দেয়। অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী জেনজি প্রজন্ম রাজনীতিবিদদের সন্তানদের ‘নেপো-কিড’ নামে অভিহিত করে। এর পেছনে কারণ ছিল যেখানে সাধারণ তরুণরা বেকারত্বে জর্জরিত, সেখানে এসব ‘নেপো-কিড’ দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করে সেসব অভিজ্ঞতা সামাজিক মাধ্যমে প্রদর্শন করছিল, যা বেকার ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে। ফলে রাজনীতি অনেকের কাছে বিত্ত অর্জনের মাধ্যম হিসেবে প্রতিভাত হতে থাকে। এ প্রেক্ষাপটে রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে ওঠা জেনজি প্রজন্মই নেপালের অভ্যুত্থানের সূচনা করে।
শ্রীলংকা ও বাংলাদেশের অভ্যুত্থানের তুলনায় নেপালের অভ্যুত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বৈচিত্র্য। সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে কেপি শর্মা অলির সরকার গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তরুণরা এ সিদ্ধান্তকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ ও স্বৈরাচারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় জেনজি প্রজন্ম ব্যাপকভাবে ভিপিএন ব্যবহার শুরু করে। ফলে একদিনেই ভিপিএন ডাউনলোডের হার প্রায় ৮ হাজার শতাংশ বেড়ে যায়। ৬ সেপ্টেম্বর ‘হামি নেপাল’ নামক একটি আইডি থেকে ইনস্টাগ্রামে ‘দ্য সিস্টেম’-এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়। এ আন্দোলনে শুধু সরকারকে নয়, বরং রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়। কারণ আন্দোলনকারীদের মতে, এসব প্রতিষ্ঠান জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ফলে আন্দোলনকারীরা সরকার, বিরোধীদলীয় নেতাদের বাসভবন, সচিবালয়, বিচারালয়, বিচারকদের বাসভবন ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ওপরও আক্রমণ চালায়।
পরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে সুশিল কার্কি একটি অনলাইন মেসেজিং প্লাটফর্ম ডিসকর্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত হন, যা সম্ভবত বিশ্বে প্রথম ঘটনা। এ অন্তর্বর্তী সরকার গত মার্চে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করে। এতে তরুণ নেতা বালেন শাহ, যিনি পেশায় একজন র্যাপার এবং ২০২২ সালে কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন, তিনি ভূমিধস বিজয় অর্জন করেন। যদিও তার দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে সে বছরই আয়োজিত জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে ২০টি আসন পেয়েছিল। তবে অভ্যুত্থান-পরবর্তী নির্বাচনে ২৭৫ আসনের মধ্যে ১৮২টিতে জয়লাভ করে সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়।
বালেন শাহের এ উত্থান মূলত অভ্যুত্থানের প্রত্যক্ষ ফল। যেখানে তার দল আগে কখনো উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসনে জয়ী হতে পারেনি, সেখানে এবার তারা বিপুল বিজয় অর্জন করেছে। এটি স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে নেপালের জনগণ দীর্ঘদিনের তিন দলীয় আধিপত্য ও ক্ষমতার ভাগাভাগির রাজনীতি থেকে সরে এসে নতুন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখতে শুরু করেছে। বিশেষত তরুণ নেতৃত্বের প্রতি।
বাংলাদেশের অভ্যুত্থান যেখানে ভিন্ন
শ্রীলংকা ও নেপালের তুলনায় বাংলাদেশের অভ্যুত্থান বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক থেকে ভিন্ন। এর মধ্যে অন্যতম হতাহতের সংখ্যা। নেপাল ও শ্রীলংকায় পুলিশ ও সাধারণ জনগণ, বিশেষত জেনজি প্রজন্মের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটলেও তা বাংলাদেশের মতো ব্যাপক সহিংসতা বা গণহত্যার রূপ নেয়নি। নেপালে নিহতের সংখ্যা ছিল ৬৮ ও শ্রীলংকায় প্রায় ১০ জন। অন্যদিকে বাংলাদেশে নিহতের সংখ্যা দেড় হাজারেরও বেশি। দক্ষিণ এশিয়ায় যুদ্ধ ব্যতীত রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে এত বিপুলসংখ্যক নিরীহ মানুষের নিহত হওয়ার ঘটনা বিরল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীগুলো বিশেষত পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য বাহিনী আন্দোলনকারীদের বিরোধী দলের কর্মী হিসেবে চিহ্নিত করে নির্বিচারে গুলি চালায়। ফলে দুই বছরের শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ, স্কুল শিক্ষার্থী থেকে রিকশাচালক সমাজের প্রায় সব স্তরের মানুষের আত্মত্যাগ এ অভ্যুত্থানে দেখা যায়।
অন্যদিকে নেপালে হতাহতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও সেখানে সহিংসতার ধরন ছিল ভিন্ন। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোয় অগ্নিসংযোগ করা হয়। এর মধ্যে সচিবালয়, বিচারালয় ও প্রায় ৩০ জন রাজনীতিবিদের বাসভবন উল্লেখযোগ্য। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও দেশগুলোর মধ্যে পার্থক্য সুস্পষ্ট। নেপালে যেখানে ১৭ বছরে ১৪টি সরকার গঠন হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের জনগণ একই সময়ে একটি দীর্ঘস্থায়ী ফ্যাসিবাদী শাসনের অধীনে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান সংঘটিত হলেও বাংলাদেশে তা পরিচালিত হয়েছে একটি ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। এ প্রেক্ষাপটই ব্যাখ্যা করে কেন বাংলাদেশের জনগণ তুলনামূলকভাবে বেশি প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে।
তিনটি দেশের অভ্যুত্থানের ক্ষেত্রেই রাষ্ট্র পুনর্গঠন, অর্থাৎ সংস্কার একটি প্রধান লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হলেও নেপাল ও শ্রীলংকার অন্তর্বর্তী বা অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারগুলো নিজ উদ্যোগে সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করেনি। বরং তারা নির্বাচিত সরকারের ওপর সংস্কার প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব অর্পণ করে। বাংলাদেশ এক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ উপস্থাপন করে। এখানে অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কার প্রণয়নের লক্ষ্যে ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করে এবং প্রতিটি কমিশনই পূর্ণাঙ্গ সংস্কার প্রস্তাব পেশ করে। জুলাই সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে এসব সংস্কার বাস্তবায়নের বিষয়ে একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতিও গৃহীত হয়। পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সংস্কারবিষয়ক গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য এসব সংস্কার বাস্তবায়ন এক ধরনের আইনি বাধ্যবাধকতায় পরিণত হয়। অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়, যা নেপাল বা শ্রীলংকার ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। প্রথমত, নেপাল ও শ্রীলংকায় অভ্যুত্থানকালীন কোনো ধরনের গণহত্যা সংঘটিত না হওয়ায় সেসব দেশে তৎকালীন সরকারি দলের নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে কোনো বিতর্ক হয়নি। ফলে সেখানে অভ্যুত্থানকালীন ক্ষমতাসীন দলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং জনগণও এ বিষয়ে কোনো আপত্তি জানায়নি। তবে বাংলাদেশে গণহত্যার দায়ে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল তথা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় দলটি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি।
দ্বিতীয়ত, নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একটি স্পষ্ট পার্থক্য লক্ষ করা যায়। নেপাল ও শ্রীলংকায় নতুন দল এবং নেতৃত্বের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা অর্পণ হলেও বাংলাদেশে জনগণ তুলনামূলকভাবে পুরনো ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল বিএনপির ওপর আস্থা রাখে। তবে বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন নিয়ে উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করে, যে দল অতীতে কখনো ১৮টির বেশি আসন লাভ করতে পারেনি। পাশাপাশি গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গড়ে ওঠা নতুন রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) ছয়টি আসন অর্জন করে সংসদে প্রবেশ করে, যা অভ্যুত্থানের প্রত্যক্ষ প্রভাব হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
সর্বোপরি, নেপাল ও শ্রীলংকায় তুলনামূলকভাবে কম প্রাণহানি সত্ত্বেও জনগণ সম্মিলিতভাবে নতুন নেতৃত্ব ও দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে দেশ পুনর্গঠনের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে একটি রক্তক্ষয়ী অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে জনগণ শেষ পর্যন্ত পুরনো ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দলের ওপরই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের দায়িত্ব অর্পণ করেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের লক্ষ্য অর্জনে নির্বাচনের মাধ্যমে আগত নতুন রাজনৈতিক শক্তি (নেপাল ও শ্রীলংকা) বনাম পুরনো এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক শক্তির (বাংলাদেশ) মধ্যে কারা জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে অধিক কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে, তা ভবিষ্যৎই বলে দেবে।
সৈয়দা লাসনা কবীর: অধ্যাপক ও চেয়ারপারসন, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এসকে তৌফিক হক: অধ্যাপক ও পরিচালক, সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (এসআইপিজি), নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
মোহাম্মাদ ঈসা ইবনে বেলাল: প্রভাষক, লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়










