গণতন্ত্র শব্দটি সারা বিশ্বে যতবার উচ্চারিত হয়, মুখরোচক খাবারটির নামও মানুষের মুখে ততবার উচ্চারিত হয় কিনা সেটা পরিসংখ্যানের ব্যাপার। মানুষের মুখে এতবার উচ্চারিত শব্দটি বস্তুত তাদের প্রত্যাশা, আকাঙ্ক্ষাকেই ব্যক্ত করে। সে কারণেই হয়তো মানবসভ্যতায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক মতবাদ এসেছে এবং সেগুলো সমাজে কিংবা রাষ্ট্রে চর্চা করা হয়েছে ও হচ্ছে। অধুনা বিশ্বে গণতন্ত্র সর্বত্র সুবিদিত। বিংশ শতাব্দীতে আশির দশকেও সমাজতন্ত্র গণতন্ত্রের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিভিন্ন দেশে জোরালোভাবে প্রচলিত ছিল কিন্তু নব্বইয়ের শুরুতে সোভিয়েত রাশিয়া ভেঙে পড়লে বিশ্বব্যাপী সমাজতন্ত্র অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি একীভূত হয়ে যাওয়ার পর পূর্ব জার্মানির সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থারও সমাপ্তি ঘটে। এর বাইরে রাজতন্ত্র চলমান আছে কিছু দেশে। সবকিছু ছাপিয়ে সারা বিশ্বে এখন গণতান্ত্রিক ধারার জয়যাত্রা। তবে গণতান্ত্রিক ধারার কথা কাগজপত্রে লেখা থাকলেও গণতন্ত্র কতটা চর্চা হয় সে নিয়ে রয়েছে অনেক বাহাস।
পুঁথিগত ভাষায় গণতন্ত্র হলো এমন এক ধরনের সরকার ব্যবস্থা যেখানে সর্বোচ্চ ক্ষমতা জনগণের ওপর ন্যস্ত থাকে এবং তারা সরাসরি অথবা সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে এটি প্রয়োগ করে। এটি একটি সুপরিচিত সংজ্ঞা, যা প্রায়ই আব্রাহাম লিংকনের নামে পরিচিত। এটিকে জনগণের, জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য সরকার" হিসেবেও বর্ণনা করা হয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আইনের শাসন একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ, যেখানে সব নাগরিক ও সরকার আইন দ্বারা আবদ্ধ, যা সমানভাবে এবং স্বাধীনভাবে প্রয়োগ করা হয়। এছাড়া গণতন্ত্র তার ভাষায় বাকস্বাধীনতা, ধর্ম ও সমাবেশের মতো মৌলিক মানবিক ও ব্যক্তিগত অধিকারের নিশ্চয়তার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে এবং সমাজের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে নাগরিকদের সম্পূর্ণ অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদানের কথা বলে।
মজার বিষয় হলো দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল, রাজনীতিক, এমনকি সরকার সবসময় গণতন্ত্রের কথা বলে আসছে, এ নিয়ে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে আক্রমণ করছে, সমালোচনা করছে। এটিকে ব্যবহার করে ক্ষমতা থেকে অপসারণের আন্দোলন এবং সেখান থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার নজির বাংলাদেশসহ অনেক দেশে আছে। তবে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা থেকে পূর্বাপর যেমন অনেক বাগবিতণ্ডা হয়েছে, তেমনি নিকট অতীতে গণতন্ত্র চাওয়া নিয়ে যা ঘটেছে তাতে সবার প্রত্যাশা ছিল—এবার বুঝি অধরা ‘সোনার হরিণ’ গণতন্ত্র ধরা দিয়েছে, মানুষ এখন থেকে সংজ্ঞা অনুযায়ী দেশের মালিক হবে। নব্বইয়ে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ লিখে নূর হোসেনের রাজপথে প্রতিবাদ-সংগ্রামে অংশগ্রহণ এবং পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনা এখনো জাতির বুকে কষ্ট পাথর হয়ে রয়েছে। নূর হোসেনের নাম এখনো গণতন্ত্র নিয়ে যেকোনো আলোচনায় উচ্চারিত হয়। কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য এত আন্দোলন, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের পরও কি ঈপ্সিত জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য এমন গণতন্ত্র এসেছে? নাকি কেবল মসনদের মোহ কিছু দল, গোষ্ঠীকে ক্ষমতার পালাবদলে সাধারণ জনগণকে মাঠে নামাচ্ছে এবং লক্ষ্যপূরণ হলেই তন্ত্রমন্ত্রকে ছুড়ে ফেলতে উৎসাহিত করছে—সেটি এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
এ অঞ্চলে জনগণের মাঝে গণতান্ত্রিক সরকারের দাবি দীর্ঘদিন ধরেই বহমান। কিন্তু ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ও পাকিস্তানি শাসকদের দ্বারা যেমন তারা বঞ্চিত, তেমনি বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পরবর্তী সময়েও গণতন্ত্র এবং রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে গণতান্ত্রিক অনুশীলন ব্যাহত হয়েছে বারবার। বিপরীতে সামরিক শাসন, স্বৈরশাসন গণতন্ত্রের চাওয়াকে সুদূর পরাহত করেছে। গণতন্ত্রচর্চায় যে গণতান্ত্রিক মানসিকতার প্রয়োজন সেটি আমাদের মাঝে তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এটি প্রাতিষ্ঠানিক শক্ত ভিত্তি পাবে—এমনটা বলাও কঠিন। আমাদের সমাজে গণতন্ত্রচর্চায় যেসব সমস্যা রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো দলীয় মানসিকতা, সহনশীলতার অভাব, পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি এবং বিরোধী দলের প্রতি দমনমূলক মনোভাবসহ প্রতিহিংসা পরায়ণতা। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অনুশীলনের এ হতাশাজনক দিকগুলোর মধ্যে উৎসাহব্যঞ্জক বিষয় হলো গণতন্ত্রের পক্ষে জনসাধারণের মাঝে যুক্তির অবতারণা যা শেষ পর্যন্ত মানুষের আকাঙ্ক্ষা থেকে বাস্তবায়নের পথে আন্দোলন, সংগ্রামে পর্যন্ত পৌঁছায় বারবার।
একটি বিষয় লক্ষণীয়, রাজনৈতিক দলগুলো এটি বোঝে যে জনগণের ভরসা কিংবা নির্ভরতা কেবল গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক সরকারের ওপর। এ কারণে রাজনৈতিক দলগুলো সর্বদা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য গণতন্ত্রের পক্ষে আওয়াজ তোলার চেষ্টা করে ও এটিকে ক্ষমতায় আরোহণের সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করে। অন্যদিকে চলমান রাজনীতিতে রাজনৈতিক নেতারা নির্বাচন এবং সরকার গঠনের প্রতি যতটা বেশি আগ্রহী, তেমনি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সংহতকরণে ততটাই কম আগ্রহী। ক্ষমতায় আরোহণের পর সেটিকে ধরে রাখার দিকেই নজর থাকে। ফলে গণতন্ত্রচর্চা কিংবা সেটি নিয়ে ভাবার সময় তাদের থাকেন।
আশার কথা হচ্ছে, বাংলাদেশের সংবিধান আছে, রয়েছে গণতন্ত্রের মৌলিক কাঠামো, সংসদ, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মতো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান। তাছাড়া সুশীল সমাজ, বিভিন্ন সংগঠন ও গোষ্ঠীসহ অনেক বেসরকারি সংস্থাও রয়েছে যারা জনগণকে গণতন্ত্র সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। ধারণা করা হচ্ছে, শিক্ষা ও বিজ্ঞানের প্রসারের কারণে তথ্যপ্রযুক্তির সহজলভ্যতায় এখন সমাজের অনেক কিছুই আর গোপন থাকছে না। তাই ধীরে ধীরে, স্বচ্ছতা, জনগণের প্রতি প্রতিক্রিয়াশীলতা ও জবাবদিহি, আইনের শাসনের প্রচার, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত উন্নয়ন কৌশলগুলো জনসাধারণের যুক্তির মূল মূল্যবোধ হয়ে উঠছে। গণতন্ত্রের প্রতি জনসাধারণের ইতিবাচক অবস্থান একটি দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে চূড়ান্তভাবে রূপ দেয়। সাধারণত গণতন্ত্র ও জনসাধারণের আকাঙ্ক্ষার সংযোগ একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ও সরকারের মূল্যবোধ তৈরি করে।
নব্বই কিংবা চব্বিশ প্রতিটি আন্দোলনের চেতনার কেন্দ্রে ছিল গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা। কিন্তু এত কিছুর পরও গণতন্ত্রকে খুঁজতে হয় কখনো দূরবীন কিংবা অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে। পত্রিকার পাতা খুললেই চোখে পড়ে নানা খবর যেখানে গণতন্ত্র খুঁজতে গিয়ে চোখে পড়ে ‘নানা তন্ত্র’। সেই নানা তন্ত্রের মধ্যে খুবই চলমান এক ধারা যার নাম ‘মবতন্ত্র’। এ পদ্ধতিতে ক্ষমতার মালিক হয়ে যায় একেকটা গ্রুপ, যারা একত্রিত হয় কোনো নির্দিষ্ট স্বার্থ আদায়ে এবং সেটি করতে গিয়ে ভাংচুর, প্রতিপক্ষের ওপর হামলা এমনকি হত্যার মতো ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। একসময় ‘মগের মুল্লুক’ শব্দের ব্যাপক ব্যবহার ছিল যেটি এখন ‘মবের মুল্লুক’ হয়ে গেছে। মবতন্ত্রের জোর প্রচলনের কারণে মুল্লুকের নামই যেন ‘মবের মুল্লুক’ হয়ে গেছে। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা, সমালোচনা কম হয়নি, তাতে কোনো পরিবর্তন এসেছে এমনটা দেখা যায় না।
‘দখলতন্ত্র’ নামে আরেক পন্থার উদ্ভব দেখা যায়, যেখানে ‘ক’ দল তাদের ক্ষমতাকালে বৈধ কিংবা অবৈধ উপায়ে যা কিছু অর্জন করে, নির্বাচনের মাধ্যমে কিংবা যেকোনোভাবে ক্ষমতা থেকে চ্যুত হলে ক্ষমতার কাছে আসা কিংবা ক্ষমতায় আসীন হওয়া ‘খ’, ‘গ’ ইত্যাদি দল সব দখলে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে এবং নিয়ে নেয় অথবা ভাগাভাগিতে লিপ্ত হয়। এমন দৃশ্য প্রায় প্রতিটি ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পরই দেখেছি। বিষয়টি যখন জাতীয় আচারে পরিণত হয়, তখন গণতন্ত্র নামক যে ওষুধ ব্যবহার করে সমাজে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখানো হয় সেটি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি বৈ আর কিছু নয়। দখলতন্ত্রের আরেক নমুনা, ফুটপাত ও রাস্তা দখল, খেলার মাঠ দখল। গণতন্ত্রে নাগরিকের জীবনের অধিকার বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হয় এবং বাংলাদেশের সংবিধানেও এ অধিকারের কথা বলা আছে। কিন্তু হাঁটার পথ, সুস্থভাবে নিঃশ্বাস নেয়ার জায়গা দখল করে মুখে মুখে যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হচ্ছে আর এটিকে দখলতন্ত্র ছাড়া আর কীইবা বলা যায়।
‘মবতন্ত্র’, ‘দখলতন্ত্র’ দেশে একটি ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। চব্বিশের অভ্যুত্থানে প্রেক্ষাপট পরিবর্তন পরবর্তী সময়ে বিষয়টি যেভাবে বিস্তৃতি লাভ করেছে তাতে আন্দোলনের চেতনাকে যেমন ম্লান করেছে তেমনি প্রশ্নের সম্মুখীনও করেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দেয়া তথ্যমতে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রথম সাত মাসে কমপক্ষে ১১৯ জন নিহত এবং ৭৪ জন আহত হয়েছে, যার পেছনে এ নানা তন্ত্রের ভূমিকা অনেক। মবতন্ত্র যেমন আইনের শাসনে ভাঙন ঘটায় তেমনি ব্যক্তি স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করে নজরদারিমূলক বিচার ব্যবস্থার বৃদ্ধি ঘটায় এবং পুলিশ ও বিচার বিভাগের মতো আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর জনসাধারণের আস্থার সংকট সৃষ্টি করে যা কোনো গণতন্ত্রকামী রাষ্ট্রের জন্য সুখকর নয়। অথচ আমরা দেখেছি রাষ্ট্রের প্রতিটি আন্দোলনের মূল কথা ছিল গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া এবং চর্চায় ফিরিয়ে আনা। তবে এটাও অস্বীকার করার উপায় নেই যে দশকের পর দশক ধরে রাজনৈতিক সহিংসতা, দুর্নীতি ও রাষ্ট্রযন্ত্রের রাজনীতিকরণের ফলে দেশের জনগণ মনে করছেন যে আনুষ্ঠানিক বিচার ব্যবস্থা ধীর, অদক্ষ অথবা প্রতিক্রিয়াহীন যা হতাশার সৃষ্টি করে এবং আইন নিজের হাতে তুলে নিতে উৎসাহিত করে। রাজনৈতিক দলগুলো মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও তাদের কর্মকাণ্ডে গণতন্ত্রের চর্চা খুব কম পরিলক্ষিত হয়। বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে কখনো কখনো ভয় দেখানো, প্রতিশোধ নেয়া এবং তাদের নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য জনতাকে সমর্থন করতে বাধ্য করার, এমনকি সংগঠিত করার অভিযোগ শোনা যায় অহরহ। গণতন্ত্রে জোরজবরদস্তি করে কাউকে সমর্থনে বাধ্য করার অবকাশ নেই। গণতন্ত্রে নেতা নির্বাচন করবে রাষ্ট্রের নাগরিক তাদের পছন্দ মতো, কিন্তু সেটিও কি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পরও নিশ্চিত করা গেছে?
কোনো রাষ্ট্রের ইলেকট্রনিক কিংবা প্রিন্ট মিডিয়া গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে চতুর্থ স্তম্ভের মতো কাজ করার কথা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে রাষ্ট্রে অনেক ভুঁইফোড় সংবাদমাধ্যম তার আদর্শ পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে অস্থিতিশীল ও নিয়ন্ত্রণহীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যা ‘কান নিয়েছে চিলে’ ধরনের খবর চাউড় করে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং মবতন্ত্রকে উসকে দেয়। এ অস্থিতিশীল গণযোগাযোগ রাষ্ট্রকে গণতন্ত্রের পথের কথা বলে মূলত ‘সংঘাততন্ত্রের’ দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফলে বাড়ছে বিভেদ, অনৈক্য এবং সর্বাত্মক অরাজকতা যেটা গণতন্ত্রের মূলনীতির সঙ্গে মোটেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং গণতন্ত্রের ছিটেফোঁটাও এখানে দৃশ্যমান নয়। তাহলে এত আন্দোলন সংগ্রাম, আত্মত্যাগ যে গণতন্ত্রের জন্য সে এখন কোথায়? নানা তন্ত্রের মাঝে কি গণতন্ত্র নিখোঁজ হয়ে গেছে?
এএসএম সাইফুল্লাহ: অধ্যাপক, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়










