যশোরে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা চলছে আড়াইশ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে। প্রতিদিনই হাসপাতালটিতে রোগীর চাপ বাড়ছে। যাদের অনেকের অক্সিজেন দেয়ার প্রয়োজন হচ্ছে। ফলে হাসপাতালটিতে অক্সিজেন সিলিন্ডারের বাড়তি ব্যবহার হচ্ছে। কিন্তু এরই মধ্যে এক রাতেই সর্বোচ্চ ৯৪টি বড় অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবহার হয়েছে। যেটিকে চরম অস্বাভাবিক বলছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে, এসব অক্সিজেন রিফিল করে বাইরে বিক্রি করা হয়েছে।
আড়াইশ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের দুটি জোনে বর্তমানে করোনার চিকিৎসা নিচ্ছেন ১৩২ জন। এর মধ্যে করোনা ওয়ার্ডে ৭৯ ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৫৩ জন রয়েছেন। এর বাইরে রোগী রয়েছে আইসিইউতে। এসব রোগীর জন্যে ১৪৮টি বড় ও ৩২৫টি ছোট অক্সিজেন সিলিন্ডার রয়েছে।
গত শুক্রবার রাতের এ ঘটনা সম্পর্কে হাসপাতাল সুপার ডাক্তার আক্তারুজ্জামান জানান, করোনার চিকিৎসায় ভর্তীকৃত রোগীদের মধ্যে ৪০-৫০ জনের মিনিটে ১০-৫০ লিটার অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে। আইসিইউর কয়েকজন রোগীকে মিনিটে ৪০-৬০ লিটার এবং আইসিইউর বাকিদের মিনিটে ২৫-৩০ লিটার অক্সিজেন সরবরাহ করছেন চিকিৎসকরা। এছাড়া অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের মিনিটে পাঁচ-ছয় লিটার অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে এক রাতে সর্বোচ্চ ২৫টি বড় অক্সিজেন সিলিন্ডার লাগে। অথচ সেখানে লেগেছে ৯৪টি বড় সিলিন্ডার। এ বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করা হবে।










