কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, ‘গত ৫০ বছরে বাংলাদেশে চালের উৎপাদন চার গুণেরও বেশি বেড়েছে। ফলে দেশে এখন চালের ঘাটতি নেই, অভ্যন্তরীণ উৎপাদন দিয়েই চাহিদা মেটানো যাচ্ছে। এ অর্জন না হলে আমাদের লাখ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে পড়ত, খাদ্য শরণার্থী হয়ে যেত এবং বিশ্বব্যাপী সংকট তৈরি হতো। কিন্তু বাস্তবে এ অর্জনের ফলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় প্রদান ও খাওয়ানোর সাহস দেখিয়েছেন।’
গতকাল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে চলমান দশম ওয়ার্ল্ড ওয়াটার ফোরামের ‘গ্রহ ও মানুষের জন্য ধান’ শীর্ষক মিনিস্টারিয়াল সেশনে এসব কথা বলেন তিনি। বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এ সেশনের আয়োজন করে।
এ সেশনে ইন্দোনেশিয়ায় নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ক্যারোলিন টার্ক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গিউইং, ইন্দোনেশিয়ার কৃষিমন্ত্রী আন্দি এমরান সুলাইমান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশমন্ত্রী আমনা বিনতে আবদুল্লাহ আল দাহাক প্রমুখ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন। বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ম্যানেজার মাইকেল জে ওয়েবস্টার সূচনা বক্তব্য দেন। এ সময় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ইন্দোনেশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. তারিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর এবং যুগ্ম সচিব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।
অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা এ সেশনে তাদের দেশের অর্জিত অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন এবং সব মিলিয়ে খাদ্যনিরাপত্তা অর্জন ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
একই দিন দুপুরে ‘ওয়াটার ফর দ্য শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ শীর্ষক সেশনে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ, উদ্ভিদ এবং প্রতিটি জীবের জন্য নিরাপদ পানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বে জনসংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে আবাদি জমি কমছে। টেকসই উন্নয়ন ও সব মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পানি অপরিহার্য।










