সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে সেজন্য ঈদের আগে সাতদিন ও পরে পাঁচদিন ২৪ ঘণ্টা তেলের পাম্প খোলা রাখার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
আজ শনিবার রাজধানীর সড়কে যানচালাচল পর্যবেক্ষণ শেষে গুলিস্থানে বিআরটিসি বাস কাউন্টারে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমরা দেখলাম নির্দিষ্ট সময়ে বাসগুলো গন্তব্যের দিকে ছেড়ে চাচ্ছে; ভাড়াও নির্ধারিত হারে নেয়া হচ্ছে। শিডিউল মেইনটেইন করে বাসগুলো চলছে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, আমি বলেছিলাম পাবলিক পরিবহনে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং সেটা আমি মনে করছি যে আগামীকাল থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে এবং সেটাকে কেন্দ্র করে যাতে কোন বিশৃঙ্খলা না হয়; ভাড়া বাড়ানো না হয়, অগ্রিম টিকিট যাতে ফেরত না হয়- সে ব্যাপারে আমাদের নির্দেশনা ছিল।
তিনি বলেন, আমি যতটুকু সর্বশেষ জেনেছি সেটা কার্যকর হচ্ছে এবং কার্যকর আছে। তেলের কারণে বাসের অগ্রিম টিকেট ফেরত দেয়ার একটা চেষ্টা রীতিমত হয়েছিল, যারা সংকটকে কেন্দ্র করে সেটা করতে চেয়েছিলেন- আমরা সেটা করতে দেইনি।
মন্ত্রী বলেন, আমরা বলে দেয়ার পর অগ্রিম টিকেট ফেরত দেয়া হয় নাই। অগ্রিম টিকেট ঠিকই বহল আছে।
মন্ত্রী বলেন, সড়কে যানবাহন চলাচল ঠিক রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের যতটুকু সামর্থ্য আছে বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে রাস্তাঘাট সংস্কার করে চলাচল উপযোগী রাখা। যেসব জায়গায় নির্মাণ কাজ চলছিল সেই সব স্থানের নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হয়েছে। অন্তত একটি লেন যাতে কার্যকর থাকে সে ব্যবস্থা এরই মধ্যে আমরা নিয়েছি।
মন্ত্রী বলেন, যে সমস্ত পাম্প আছে মহাসড়কে সেগুলো আগামী ঈদের আগে সাত দিন ঈদের পরে পাঁচ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে- সেটা আমরা নিশ্চিত করেছি ।
মন্ত্রী বলেন, ২৬০টি স্পটকে আমরা চিহ্নিত করেছি যেখানে যানজট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেটাকে চিহ্নিত করে আমি পুলিশ, বিআরটিএ, আমাদের পরিবহন সেক্টরের সঙ্গে যারা জড়িত- স্থানীয় পুলিশ, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার তাদের সমন্বয়ে ওই ২৬০টি স্পটে যাতে কোনো যানজট সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।
তিনি বলেন, আমরা আজ সড়ক পর্যবেক্ষণ করছি। সবকিছু মিলে আমাদের কাছে মনে হয়েছে, আমরা আসন্ন ঈদে একটা ভালো জনবান্ধব যাত্রা যাত্রীদেরকে উপহার দিতে পারব।
মন্ত্রী বলেন, এখন আমাদের ট্রেনের যতটুকু সক্ষমতা আছে, যতগুলো কোচ আছে, যে লোকবল আছে- সেটা দিয়ে এবার ট্রেনের যাত্রী পরিবহন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, আমি গতকাল ট্রেন-স্টেশনে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে যে ব্যবস্থাপনাটা আমি দেখেছি। তা সন্তোষজনক ছিল।










