আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের দপ্তর- সংস্থার ইনোভেশন জনগণের স্মার্ট আর্থিক সেবা নিশ্চিত করব বলে জানিয়েছেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান।
তিনি বলেন, ‘পনের বছর আগেও দপ্তর সংস্থা ইনোভেশন চিন্তাও করতে পারতো না। আজ এতোগুলো ইনোভেশন সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে বলে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি উদ্যোগই চমৎকার। এখন আমাদের লক্ষ্য স্থির করে এগিয়ে যেতে হবে।যারা আমাদের গ্রাহক, তাদের সেবা প্রদান আমাদের উদ্ভাবনের লক্ষ্য।’
তিনি আরো বলেন, ‘জাতির পিতা সমবায় সমিতি চালু করেছিলেন কৃষকের উন্নয়নের লক্ষ্যে। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে জাতির পিতার উদ্ভাবনী উদ্যোগ ছিল সময়ের চেয়ে এগিয়ে। ২০০৮ সালের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রুপান্তরকারী নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশ্বে রোল মডেল।’
অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান আজ মঙ্গলবার(২১ মে) সচিবালয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের দপ্তর - সংস্থার অংশগ্রহণে ইনোভেশন প্রদর্শনী (শোকেসিং) ও শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী উদ্যোগ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আবদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এ বিভাগের ২৫টি দপ্তর -সংস্থার প্রধানরা।স্বাগত বক্তব্য দেন চিফ ইনোভেশন অফিসার অতিরিক্ত সচিব মফিজ উদ্দিন আহমেদ।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ‘জনগণের সেবার জন্য পুরোনো পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে উদ্ভাবনী কাজ করতে হবে।’
আলোচনা পর্ব শেষে অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান সকল প্রতিষ্ঠানের ইনোভেশন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
দপ্তর/সংস্থার নাম ইনোভেশন সমূহের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ই- পারফারম্যান্স ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন প্রদর্শিত সেবার নাম কাস্টমার কমপ্লেইন্ট অ্যাড্রেস মডিউল, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ- বীমা তথ্য অ্যাপ, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিরি ই-পেমেন্ট সিস্টেম, পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের ডিজিটাল ট্রেনিং প্লাটফর্ম,সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে উপকারভোগীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ, বাংলাদেশ মিউনিসিপ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড পৌর এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন।










