যশোরে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। করোনার প্রথম ধাপে চিহ্নিত করা হটস্পটগুলোতে দ্বিতীয় ধাপেও আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হচ্ছে। কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও প্রতিদিন জেলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণের হার। জেলায় গড় করোনা শনাক্তের হার ৪৮ দশমিক ৬৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে শহর থেকে গ্রামেও ছড়িয়ে পড়েছে সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৫৩৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৪৭ জনের নভেল করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে কোনো বেড খালি নেই। উপচে পড়া ভিড় সেখানে।
করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৯ জুন দিবাগত রাত থেকে যশোর ও নওয়াপাড়া পৌরসভার সক ওয়ার্ডে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান। এর মধ্যে করোনা পরিস্থিতি প্রতিদিন রেকর্ড ভাঙছে। এরপর ১৫ জুন জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির দ্বিতীয় সভায় বিধিনিষেধ বাড়িয়ে যুক্ত করা হয় ঝিকরগাছা পৌরসভা, সদরের উপশহর, নওয়াপাড়া, আরবপুর, চাঁচড়া, শার্শা ইউনিয়ন ও বেনাপোল বাজার। যশোর জেনারেল হাসপাতালের ৮০ শয্যার করোনা ডেডিকেটেড ইউনিট পূর্ণ হয়ে গেছে। বর্তমানে সেখানে ৯১ জন ভর্তি রয়েছেন। আইসোলেশন ওয়ার্ডের চিত্রও একই। শনাক্তের এ ঊর্ধ্বগতি রুখতে সরকারি বিধিনিষেধ কার্যকরে জেলা প্রশাসন কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান।










