প্রতিষ্ঠানটির মোট কর্মী বাহিনীর প্রায় ২০ শতাংশ বা তার বেশি কর্মী এ ছাঁটাইয়ের কবলে পড়তে পারেন বলে জানা গেছে। মূলত এআই অবকাঠামো তৈরিতে বিশাল ব্যয় ও প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। খবর রয়টার্স।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, যদিও ছাঁটাইয়ের নির্দিষ্ট তারিখ বা সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে শীর্ষ কর্মকর্তারা এরই মধ্যে অভ্যন্তরীণভাবে এ ছাঁটাই প্রক্রিয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। যদি ২০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করা হয়, তবে ২০২২ ও ২০২৩ সালের ‘ইয়ার অব এফিশিয়েন্সি’র পর এটিই হবে মেটার সবচেয়ে বড় পুনর্গঠন। গত বছরের শেষ নাগাদ মেটাতে প্রায় ৭৯ হাজার কর্মী কর্মরত ছিলেন।

মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বর্তমানে জেনারেটিভ এআই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে মরিয়া। ২০২৮ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টার তৈরিতে ৬০ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। জাকারবার্গ মনে করেন, এআই ব্যবহারের ফলে এখন বড় দলের কাজ একজন দক্ষ কর্মী দিয়েই সম্পন্ন করা সম্ভব। তবে মেটার এআই প্রজেক্টগুলো এখনো প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। কেবল মেটা নয়, অ্যামাজন ও ব্লকের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোও এআই প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা বাড়িয়ে কর্মী সংখ্যা কমিয়ে আনছে। মেটা এ খবরকে জল্পনা বললেও প্রযুক্তি বিশ্বে এখন চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।