ইন্দোনেশিয়ার প্রধান খাদ্যপণ্য চাল। সম্প্রতি প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দেশটিতে ধান আবাদ কমেছে। এতে অভ্যন্তরীণভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে চালের দাম। অভ্যন্তরীণ দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভোগ্যপণ্যটির আমদানি বাড়িয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় ক্রয় সংস্থা বুলোগ প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টন চাল ক্রয়ের জন্য নতুন একটি আন্তর্জাতিক দরপত্র জারি করেছে। গত শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন ইউরোপের ব্যবসায়ীরা। খবর রয়টার্স। 

ব্যবসায়ীরা জানান, নতুন দরপত্রে বুলোগ ২০২৪ শস্যবছর থেকে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত সাদা চাল আমদানি করতে চায়। এসব চাল ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও পাকিস্তান থেকে সংগ্রহ করা হতে পারে।

এছাড়া দরপত্রে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় চাল আমদানির প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে। ব্যবসায়ীদের জন্য আগামী ৩ সেপ্টেম্বর দরপত্রের প্রাইস অফার জমা দেয়ার সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। ৫ আগস্ট আরেকটি দরপত্র জারি করেছিল দেশটি। সে দরপত্রে মোট ৩ লাখ ২০ হাজার টন চাল আমদানির কথা উল্লেখ করা হয়। 

ইন্দোনেশিয়ার পরিসংখ্যান সংস্থার অনুমান অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-আগস্ট পর্যন্ত দেশে চালের উৎপাদন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ কমতে পারে। ২২ জুলাই ন্যাশনাল ফুড এজেন্সির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সারও এধি হত জানান, অভ্যন্তরীণ ফসল অপর্যাপ্ত হলে ইন্দোনেশিয়া চলতি বছর ৪৩ লাখ টন পর্যন্ত চাল আমদানি করতে পারে।