বেঙ্গালুরুতে গতকাল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৩ বলে সেঞ্চুরি করে পাকিস্তানকে জেতানোর পথে রেকর্ডবুক নতুন করে লিখেছেন বামহাতি ব্যাটার ফখর জামান। পাকিস্তানের হয়ে বিশ্বকাপে এটিই এখন দ্রুততম সেঞ্চুরি। ইমরান নাজির ও সেলিম মালিকের রেকর্ড ভাঙলেন তিনি।
১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৯৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন সেলিম মালিক। ২০০৭ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংস্টনে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইমরান নাজিরও ১৬০ রান করার পথে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছিলেন ৯৫ বলে। সেলিম মালিক ও ইমরান নাজিরকে এবার টপকে গেলেন ফখর জামান।
ফখর জামানের সেঞ্চুরিটি আবার বিশ্বকাপের ইতিহাসে যুগ্মভাবে নবম দ্রুততম। চলতি আসরেই গত ১১ অক্টোবর দিল্লিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৬৩ বলে সেঞ্চুরি করেন ভারতের ওপেনার রোহিত শর্মা।
বিশ্বকাপের দ্রুততম সেঞ্চুরিটি অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। চলতি আসরে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাত্র ৪০ বলে সেঞ্চুরি করেন তিনি। এ আসরে দক্ষিণ আফ্রিকার এইডেন মার্করাম ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়েন, যা পরে ভাঙেন ম্যাক্সওয়েল। এছাড়া কেভিন ও’ব্রায়েন ৫০ বলে, ম্যাক্সওয়েল ৫১ বলে, এবি ডি ভিলিয়ার্স ৫২ বলে, ট্রাভিস হেড ৫৯ বলে ও হাইনরিখ ক্লাসেন ৬১ বলে বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করেছেন।
মাত্র ৮১ বলে ৮ বাউন্ডারি ও ১১ ছক্কায় ১২৬ রানে অপরাজিত থাকেন ফখর জামান। ৬ রানের মাথায় প্রথম উইকেট পতনের পর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ১৪১ বলে ১৯৪ রান তুলে অবিচ্ছিন্ন থাকেন ফখর জামান ও বাবর আজম। এ জুটিতে ফখরের অবদান ৭৮ বলে ১২৫ রান, বাবরের ৬৬।
ফখর এতটাই আগ্রাসী ছিলেন যে ৬৩ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার সময়ই তিনি ৯টি ছক্কা ও ৬টি চার মারেন। মাত্র ১৯ দশমিক ২ ওভারের সময় তার সেঞ্চুরি পূর্ণ হয়। ১৯৯৯ সালের পর বিশ্বকাপে মাত্র তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে ২০ ওভারের আগেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন ফখর। এর আগে চলতি আসরে ভারতের রোহিত শর্মা ১৭.২ ওভারে ও ২০০৩ আসরে কানাডার জন ডেভিসন ১৮.৬ ওভারে সেঞ্চুরি করেন।
বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডটাও নিজের করে নিলেন ফখর। ২০০৭ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আটটি ছক্কা মেরেছিলেন নাজির। ফখর মারেন মোট ১১টি ছক্কা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে ১০ কিংবা এর বেশি ছক্কা মারেন ফখর।










