কলকাতার ইডেন গার্ডেনস স্টেডিয়ামে আজ মঙ্গলবার বিশ্বকাপ ম্যাচে
পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিং নেয়া বাংলাদেশ ৪৫.১ ওভারে মাত্র ২০৪ রানে
গুটিয়ে গেছে।
বিপর্যয়ে শুরু, বিপর্যয়ে শেষ। শাহিন শাহ আফ্রিদির আঘাতে প্রথম ওভারে
তানজিদ হাসান ও তৃতীয় ওভারে নাজমুল হোসেন শান্ত ফেরেন সাজঘরে। চারে নামা মুশফিকুর
রহিম ব্যক্তিগত ৫ রানে হারিস রউফের শিকার হন। এরপর লিটন দাস ও মাহমুদউল্লাহর দারুন
এক জুটিতে স্থিতি আসে। যদিও ৬৪ বলে ৪৫ রান করে ইফতিখার আহমেদের বলে আউট হয়ে যান
লিটন। এর আগে ৮৯ বলে ৭৯ রানের জুটি গড়েন লিটন ও মাহমুদউল্লাহ।
এরপর অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ৫৯ বলে ২৮ রানের জুটি গড়ে
সাজঘরের পথ ধরেন মাহমুদউল্লাহ। ৭০ বলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫৬ রান করে শাহিনের
বলে বোল্ড হন তিনি। মাত্র ৩ বল স্থায়ী হয় তাওহিদ হৃদয়র প্রত্যাবর্তন। উসামা মিরকে
ছক্কা হাঁকানোর পরের বলে ফার্স্ট স্লিপে ইফতিখারকে ক্যাচ দেন তিনি (১৪০/৬)।
মেহেদী হাসানকে নিয়ে লড়ে যাচ্ছিলেন সাকিব। যদিও জুটিটি বড় হয়নি। ৪৮
বলে ৪৫ রান করেন ভাঙে এই জুটি। হারিস রউফের বলে অহেতুক এক শট খেলে মিডউইকেটে আগা
সালমানকে ক্যাচ দেন অধিনায়ক। ৬৪ বলে চার বাউন্ডারিতে ৪৩ রান করেন তিনি। দুঃসময়ে মিরাজের
ব্যাটে (৩০ বলে ২৫) ভর করে দুশ পার করতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের পেসার শাহিন আফ্রিদি ও মোহাম্মদ ওয়াসিম তিনটি করে ও
হারিস রউফ দুটি উইকেট নেন। স্পিনার উসামা ও ইফতিখারের শিকার একটি করে।
ছয় ম্যাচের পাঁচটিতে হেরে সেমিফাইনালের আশা শেষ বাংলাদেশের।
অন্যদিকে, পাকিস্তান ছয় ম্যাচের চারটিতে হেরে বিদায়ের ঝুঁকিতে রয়েছে। সেমির আশা
বাঁচিয়ে রাখতে তাদের জয়ের বিকল্প নেই। অন্যদিকে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার টিকিট
নিশ্চিত করতে এই ম্যাচসহ পরের দুটি ম্যাচ জিততে চায় বাংলাদেশ।
আজ খেলছেন না স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান। তার জায়গায় বাংলাদেশ দলে
এসেছেন ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়। যদিও তাকে এনে খুব লাভবান হলো না দল। তিনি ৩ বলে ৭
রান করতে পেরেছেন।










